অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢিলেঢালা ভাবে স্বাস্থ্যবিধি পালন

রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল, মঙ্গলবার বেলা একটা। কয়েকজন যাত্রী ঠেলাঠেলি করে টার্মিনালের ভেতরে ঢুকলেন।
ইনফ্রারেড থার্মোমিটার হাতে বিমান সংস্থার কর্মীরা চুপচাপ দাঁড়িয়েই থাকলেন।
ওই কর্মীদেরও কয়েকজন গ্লাভস ও মাস্ক পরা ছিলেন না।
হ্যান্ড থার্মোমিটারে না মেপেই তাঁরা স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্ধারিত ফরমে ইচ্ছেমতো যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা লিখে দিচ্ছেন।
এক কর্মী একসঙ্গে ১১ জন যাত্রীর ফরমে তাপমাত্রা লিখে দিলেন ‘৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস’। জিজ্ঞেস করলেও ওই কর্মী কোনো উত্তর দিলেন না। কয়েকজন যাত্রী জানালেন, বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁদের মাস্ক, গ্লাভস, ফেসশিল্ড দেওয়া হয়নি।

২৫ শতাংশ আসন ফাঁকা রাখার শর্তে এবং স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে—এই নির্দেশনা দিয়ে গত ১ জুন থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালুর অনুমতি দেয় সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
এরপর ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে আসন ফাঁকা রাখার নিয়মটি তুলে নেয় বেবিচক।
বিমান সংস্থাগুলো সব আসনে যাত্রী নিয়ে চলাচল শুরু করে।
তখন অবশ্য বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান জানিয়েছিলেন, আসন পূর্ণ করে ফ্লাইট চলাচল করলেও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি আগের মতোই মানতে হবে।
প্রথম কয়েক দিন স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হলেও এখন সবই ঢিলেঢালা।

আরও খবর
Loading...