আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের টিকিট নিয়ে হাহাকার

আড়াই মাসের বেশি বন্ধ থাকার পর গত ১৬ জুন থেকে সীমিত আকারে দোহা রুটে কাতার এয়ারওয়েজ এবং লন্ডন রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে উড্ডয়নের অনুমতি দেয় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
এর মধ্যে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে কাতার এয়ারওয়েজ এবং আগামীকাল রবিবার থেকে লন্ডন রুটে

ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ।
করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২৫ শতাংশ আসন খালি রেখে উড়োজাহাজের ভেতরেও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের নির্দেশনা আছে।
তবে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যাপক ফারাক হওয়ায় যাত্রীরা কাঙ্ক্ষিত সময়ে টিকিট পাচ্ছেন না।
সংকট কাটাতে ২১ জুন থেকে ঢাকা-দুবাই রুটে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট চালুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে এমিরেটস এয়ারলাইনসকে।
১ জুলাই থেকে বাংলাদেশে চালু হচ্ছে তুরস্কের টার্কিশ এয়ারলাইন্স ও  শারজাহের এয়ার এরাবিয়ার ফ্লাইট।
কিন্তু তাতেও সংকট কাটবে না বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, ২৫ শতাংশ আসন কমে যাওয়ায় এবং ফ্লাইট কম হওয়ায় শিগগির এই সমস্যা কাটবে না।
কাতার এয়ারওয়েজ ঢাকা কার্যালয়ের মার্কেটিং কো-অর্ডিনেটর সামিনা রেজা বলেন, ‘আমরা আগে যেখানে দিনে চারটি ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ পেতাম,
এখন সেখানে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইটের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
একসঙ্গে অনেক যাত্রীর চাপ আসায় সংকট তৈরি হয়েছে।

আরও খবর
Loading...