‘আমেরিকা-ইউরোপ-আফ্রিকায় কয়েক লাখ নতুন কর্মসংস্থান হবে’

করোনাভাইরাসের কারণে ভিসা বন্ধসহ অর্থনৈতিক মন্দায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মহীন কয়েক লাখ বাংলাদেশি।
স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটে শ্রমবাজার।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে দক্ষ শ্রম শক্তি গড়ে তুলতে হবে এখনই। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, স্বল্প সময়ের মধ্যে আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকায় বাজার তৈরির চেষ্টা চলছে। এতে সৃষ্টি হবে কয়েক লাখ নতুন কর্মসংস্থান।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের তথ্য বলছে, চলতি বছর বাংলাদেশের প্রবাসী আয় কমে, ১ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলারে নেমে যেতে পারে।
এই আয় গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যেও মিলেছে একই আভাস। করোনায় তুলনামূলক কম ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো এ অবস্থায় লাভবান হবে বলে মত বিশ্লেষকদের।

রামরু সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন সিকদার বলেন, বাজার ঠিক আগের মত চালু হবে না।
আগামী বছর ধরেই এমন চলবে।

 

তবে এখনই উদ্যোগ নিলে বিশ্ব শ্রম বাজারে আশার আলোও দেখছেন এই গবেষক।

তিনি বলেন, এখন তারা আরো বিনিয়োগ করবে। এই মার্কেট ধরার জন্য মাওরা প্রস্তুত আছি কিনা দেখবো।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, যেসব প্রবাসী এখন বিদেশে আছেন, তাদের থেকে যাওয়া নিশ্চিত করা এবং নতুন করে চাহিদা মাফিক জনশক্তি পাঠানোর সব রকম প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, আমরা নতুন নতুন বাজার খুঁজছি।
আফ্রিকাতে অনেকগুলো জায়গা পেয়েছি যেখানে সম্ভাবনা পেয়েছি।

আরও খবর
Loading...