এখনই বিদেশী পর্যটক চান না ৫৭ শতাংশ থাই নাগরিক

এভিয়েশন নিউজ ডেস্ক :

বিদেশী পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে থাইল্যান্ডের সরকার। দীর্ঘ সাত মাস পর বিদেশী পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হতে চলেছে দেশটি। তবে থাইল্যান্ডের স্থানীয় অধিবাসীদের বেশির ভাগই চান না এখনই তাদের দেশে বিদেশীরা আসুক। একটি জরিপ প্রতিবেদন সেই কথাই বলছে। খবর ব্লুমবার্গ।

ব্যাংকংভিত্তিক ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এ জরিপ পরিচালনা করেছে। জরিপে অংশগ্রহণকারী ৫৭ শতাংশ থাই নাগরিক সরকারের পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন। তারা আশঙ্কা করছেন, এখনই বিদেশী পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে।

প্রায় ১ হাজার ৩০০ থাই নাগরিককে নিয়ে জরিপটি পরিচালনা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, বিদেশীদের জন্য সবকিছু খুলে দিলে সরকার করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সমর্থ হবে কিনা, সে ব্যাপারে সন্দিহান ৬২ শতাংশ উত্তরদাতা।

থাইল্যান্ডের অর্থনীতি অনেকটাই পর্যটননির্ভর। ছয় মাসের বেশি সময় ধরে কোনো বিদেশী পর্যটক না আসায় দেশটির পর্যটন খাত বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থায় সংকটাপন্ন খাতকে চাঙ্গা করতে প্রতি মাসে সীমিতসংখ্যক বিদেশী পর্যটককে থাইল্যান্ড ভ্রমণের সুযোগ দিতে চাইছে দেশটির সরকার। গত সপ্তাহেই এ পরিকল্পনার ঘোষণা দেয়া হয়।

আসলে বিদেশী পর্যটকদের ভ্রমণের সুযোগ না দিয়ে পর্যটন খাতকে চাঙ্গা করার কোনো বিকল্পও ছিল না থাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুত চ্যান-ওচার সরকারের। কারণ এ খাতের মোট রাজস্বের দুই-তৃতীয়াংশই আসে বিদেশীদের কাছ থেকে। এ কারণে সরকার করোনা মোকাবেলায় এখন পর্যন্ত তাদের ভালো ট্র্যাক রেকর্ড অক্ষুণ্ন রেখেই পর্যটন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ খুঁজছে।

এজন্য সরকার বিদেশী পর্যটক আসার পর তাদের ১৪ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বিধিনিষেধের কারণে দেশটিতে ভ্রমণেচ্ছুক বেশির ভাগ পর্যটকই আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।

আরও খবর
Loading...