এখন আর প্রাণচাঞ্চল্য নেই ফ্লাইটে

স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য মাস্ক, চোখে চশমা, পিপিই পরতে হয়। মাথাও ঢাকা থাকে। যাত্রী’দের এখন আর হাসিমুখে বরণ করতে পারি না।
আবার যাত্রীরা হেসে কিছু বললেও জবাব দিতে পারি না। ফ্লাইটে প্রাণচাঞ্চল্য নেই।’

কথাগুলো বললেন, দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ারের ব্যবস্থাপক (কেবিন সেফটি) মুক্তা ওয়াহেদ।

করোনার বিস্তারে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় দুই মাস ঘরে বসে কাটিয়েছেন মুক্তা ওয়াহেদ।
গত ১ জুন থেকে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হলে কাজে ফেরেন তিনি। বললেন, ‘সংখ্যায় কম হলেও যাত্রী আসছে। কিন্তু দৃশ্যপট একেবারে ভিন্ন। কাজ করে অজানা এক আতঙ্ক ।’

মুক্তা জানান, ‘৭২ আসনের উড়োজাহাজে এখন নিয়ম মেনে ৫২ জনের বেশি যাত্রী নেওয়া হয় না। ফ্লাইটে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে না।
৩০-৪০ মিনিটের ফ্লাইটে সময় কাটে না। অথচ করোনার আগে যাত্রীদের খাবারসহ অন্যান্য সেবা দিতে গিয়েই সময় চলে যেত।’

মুক্তা ওয়াহেদ বলেন, ‘করোনার আগের মতো সবকিছু স্বাভাবিকভাবে করার চেষ্টা করছি। শুধু মনে হয়, ইশ্‌ আগের মতো ফ্লাইট যে আবার কবে ফিরে পাব।’

আরও খবর
Loading...