কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে একই লাইনে দুই ট্রেন, অল্পের জন্য রক্ষা।

বুধবার রাত ১১টার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় অল্পের জন্য দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন দুটি ট্রেনের যাত্রীরা। কটিয়াদীর মানিকখালী রেলস্টেশনে দুটি ট্রেন একই লাইনে চলে এলেও দুর্ঘটনার আগেই ট্রেন থামিয়ে ফেলত সক্ষম হন চালক।

মানিকখালী রেলস্টেশন সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ময়মনসিংহ থেকে ভৈরবের উদ্দেশে ছেড়ে আসা লোকাল ট্রেনটি (২৪৪ ডাউন) আগের স্টেশন গচিহাটায় দশ মিনিট থেমে ছিল। গচিহাটা থেকে ছেড়ে আসার পর হোম সিগন্যালে প্রবেশের আগে লোকাল ট্রেনটি থেমে যায়। পাঁচ মিনিট পর দুই নম্বর লাইনে প্রবেশের সিগন্যাল পায়। সিগন্যাল পাওয়ার পর ট্রেনটি ২ নম্বর লাইনে ঢোকে এবং যাত্রাবিরতি দেয়। ত্রিশ সেকেন্ডের ব্যবধানে একই লাইনে ঢুকে পড়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী আন্তনগর এগারসিন্ধুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি। এগারসিন্ধুর ট্রেনটিও আউটার সিগন্যালে কয়েক মিনিটের জন্য থেমে ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একই লাইনে আরেকটি ট্রেন প্রবেশ করা দেখে লোকাল ট্রেনের যাত্রীরা চিৎকার শুরু করে। অনেকে জানালা দিয়ে লাফিয়ে নিচে নামে। ছাদের যাত্রীরাও লাফিয়ে নিচে পড়ে। এতে কয়েকজন যাত্রী আহত হয়। এগারসিন্ধুর ট্রেনের চালক বিষয়টি বুঝতে পেরে লোকাল ট্রেনটির ১০০ গজ দূরে থামিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়। এতে করে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় যাত্রীরা। ময়মনসিংহের আঠারবাড়ি থেকে লোকাল ট্রেনের যাত্রী হন ফাতেমা বেগম নামে এক নারী। তিনি বলেন, ‘একই লাইনে গাড়ি আইতে দেইখা জানালা দিয়া ফাল দিয়া পড়ছি।’

একই লাইনে দুইটি ট্রেনের বিষয়ে জানতে সহকারী স্টেশনমাস্টার আতাউল করিমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে সাতটার দিকে একই স্টেশনে দুটি লোকাল ট্রেন একই স্টেশনে ঢুকে পড়ে। পরে চালক থেমে থাকা ট্রেনটির সামান্য দূরত্বে থামিয়ে ফেলায় হতাহতের ঘটনা থেকে রক্ষা পায় যাত্রীরা।

আরও খবর
Loading...