কেন প্লনে এই খাবার খাবেন না?

কেন প্লনে এই খাবার খাবেন না?

বিমান ভ্রমণের অন্যতম একটি আকর্ষণীয় দিক হলো বিভিন্ন রকমের মজাদার খাবার। কিন্তু এসব খাবার ইচ্ছে হলেই খাওয়া যাবে না। কিছু খাবার আপনাকে অসুস্থ করে ফেলতে পারে। আবার কিছু খাবার আপনার সহযাত্রীদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই জানতে হবে কোন খাবারগুলো বিমান ভ্রমণের আগে বা চলাকালীন সময়ে খাওয়া নিষেধ।

পেঁয়াজ ও রসুন

কাঁচা পেঁয়াজ ও রসুন দিয়ে মজা করে রান্না করা খাবার খাওয়া খেলে তার গন্ধ অনেকটা সময় মুখে থাকে। এতে বিমানে আপনার পাশে বসা সহযাত্রী অস্বস্তি বোধ করতে পারেন। তাই এসব খাবার না খাওয়াই ভাল। আর যদি কোনো ভাবে খেয়েই ফেলেন তাহলে একটা আপেল বা কয়েকটা পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন।

ড্রাই ফ্রুটস

সাধারণত আমরা জানি ড্রাই ফ্রুটস অমাদের শরীরের জন্য উপকারি। কিন্তু অনেক সময় শুকনো ফলের ছোট যে প্যাকেট দেয়া হয় ফ্লাইটে তা অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাজমা রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

কফি

লম্বা ফ্লাইটে ঘুম বা ক্লান্তি দূর করতে অনেকেই কাপ ভরে কফি পান করেন। এতে ১-২ ঘণ্টার মধ্যেই কিন্তু আপনাকে ঘনঘন বাথরুমে যেতে হবে এবং আপনার অস্থির লাগতে থাকবে। এমনকি কফির কারণে পেট ব্যথা বা মাথাব্যথাও করতে পারে।

সিম, মটরশুঁটি ও ডাল

বিমানের বাতাসের চাপ পরিবর্তন হয়ে আপনার পেটে থাকা গ্যাস ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়িয়ে দেয়। তাই ডাল, মটরশুঁটি বা সিম খেলে পেটে আরো বেশি বেশি গ্যাস তৈরি হবে। তা আপনার জন্য বিব্রতকর ও সহযাত্রীদের জন্য অস্বস্তির কারণ হবে।

ডিমের স্যান্ডউইচ

সকালের নাস্তা হিসেবে বাসা থেকে বা বিমানে ডিমের স্যান্ডউইচ খেয়ে থাকেন অনেকে। কিন্তু এতে প্রচুর পরিমান সোডিয়াম থাকে, যা ব্লাড প্রেসার বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া বিমানের কেবিনে অক্সিজেন কম থাকে, তার ওপর যদি উচ্চ রক্তচাপ বাড়ে তবে তা আপনার হৃৎপিণ্ডের জন্য খুবই খারাপ হতে পারে।

কোমল পানীয়

কেবিনে অক্সিজেন কম থাকায় যাদের ফুসফুসে সমস্যা তাদের কষ্ট হতে পারে। এ সময়ে কোমল পানীয় যেমন কোক, পেপসি বা স্প্রাইটের মতো পানীয়গুলো তাদের শ্বাস-প্রশ্বাসে আরো সমস্যা তৈরি করে।

পপকর্ন

পপকর্ন খেতে পছন্দ করেন ছোট, বড় সকলেই। কিন্তু পপকর্ন, বিস্কুট বা চিপসের মতো খাবারগুলো বিমানের ছোট একটা ঝাঁকুনিতেই আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমন কি আপনার পাশের যাত্রীর গায়ে বা মুখেও পড়তে পারে যা বিরক্তকর। শুধু তা-ই নয়, এতে থাকা ফাইবার পেটে গ্যাস তৈরি করে।

আরও খবর
Loading...