চলতি বছরে রিজেন্ট বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ৪টি বোয়িং বিমান

চলতি বছরে রিজেন্ট বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ৪টি বোয়িং বিমান।

দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম শীর্ষ এয়ারলাইন রিজেন্ট এয়ারওয়েজ ২০২০ সালে তাদের উড়োজাহাজ বহর ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং আকাশে ও মাটিতে সেবা উন্নয়নের মাধ্যমে নিজস্ব অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার পরিকল্পনা করছে। গত বছরের ১০ নভেম্বর তাদের সফল পরিচালনার ১০ম বর্ষে পদার্পণ করেছে এয়ারলাইনটি।

এ উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের পক্ষ থেকে তাদের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে উপস্থিত সংবাদ মাধ্যম প্রতিনিধিবৃন্দের সম্মুখে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। রিজেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ, প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা হানিফ জাকারিয়া এবং পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন) সোহেল মজিদ প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

ইমরান আসিফ তার বক্তব্যে বলেন, ২০২০ সালে আমাদের পরিচালনার ১০ বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে এবং ২০২০ সালে আমাদের সামনে একটি সুস্পষ্ট ভিশন রয়েছে। বরাবরের মতো নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য এবং সর্বাধিক পছন্দনীয় বাংলাদেশি এয়ারলাইন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।

চলতি ২০২০ সালে রিজেন্ট আরও ৪টি বোয়িং উড়োজাহাজের ডেলিভারি পাওয়ার আশা করছে। নতুন উড়োজাহাজগুলো যুক্ত হলে এ জাতীয় ৮টি উড়োজাহাজের একটি আধুনিক বহর নিয়ে নিজস্ব নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পাশাপাশি বর্তমান গন্তব্যগুলোতে উড্ডয়ন সংখ্যা বাড়নোর পরিকল্পনা রয়েছে রিজেন্টের।

নিজস্ব সেবার উন্নয়নে এবছরও রিজেন্ট তাদের বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে এবং গ্রাহকদের জন্য আরও মূল্য সংযোজন নিয়ে কাজ করবে। খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে প্রথম ওয়াইফাইভিত্তিক ইনফ্লাইট বিনোদন ব্যবস্থা- রিজেন্ট স্ক্রিন্স প্রবর্তন করতে যাচ্ছে রিজেন্ট। এর ফলে যাত্রীরা তাদের ব্যক্তিগত নোটবুক, ট্যাবলেট বা মোবাইল ফোনে ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে সরাসরি বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া প্রোগ্রাম উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।

রিজেন্ট এয়ারওয়েজ বর্তমানে দেশের ভিতর ট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং দেশের বাইরে কলকাতা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গপুর, মাস্কাট এবং দোহায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

আরও খবর
Loading...