জাপানের রাজনীতিতে সুগার উত্থান

শিনজো আবের পদত্যাগের পর নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ করেছে জাপান। নতুন প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। কৃষক পরিবারের সন্তান তিনি। সুগা কি পারবেন দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের রেখে যাওয়া জাপানকে এগিয়ে নিতে?

শিনজো আবের উত্তরসূরি

শিনজো আবের বড় একটা রাজনৈতিক পরিচয় ছিল। জাপানের মানুষের কাছে আবে পরিবারের আলাদা কদর ছিল। আবের নানা নোবুসুকে কিশি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়েই জাপানের নেতা ছিলেন। মার্কিন বিচারে দোষী হয়ে জেল খেটেছেন। পরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে তিন বছর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। কিশির জামাতা ছিলেন শিনতারো আবে। নিজ এলাকায় দারুণ জনপ্রিয় শিনতারো আবে চার বছর ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। শিনজো আবের রাজনীতিতে আসা তাই বৈচিত্র্যময় কিছু ছিল না।

২০০৫ সালে মাত্র ৩৬৬ দিনের মেয়াদে সমালোচনার ঝড়ে বিধ্বস্ত হলেও শিনজো আবে আবার ফিরেছিলেন। ২০১২ সালে ক্ষমতায় আসার পর আবে শুরু করেছিলেন নতুনভাবে জাপানের গঠন কার্যক্রম। আবে অর্থনীতি বা ‘আবেনোমিকস’ নামে সারা বিশ্বে যা বেশ সাড়াও ফেলেছিল। কিন্তু আবেনোমিকসের শেষ দেখার আগেই পদত্যাগ করলেন শিনজো আবে।

রেখে গেলেন মহামারী মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ। সেই সঙ্গে আগামী বছরের অলিম্পিক গেমসের মতো বৈশ্বিক আয়োজনের চ্যালেঞ্জও। আবেনোমিকসের ভাগ্যটাও রেখে গেলেন ঝুলন্ত অবস্থায়। আর এসব চ্যালেঞ্জের মুখে জাপানের নতুন ত্রাতা হওয়ার জন্য এগিয়ে এসেছেন ৭১ বছর বয়সী ইয়োশিহিদে সুগা।

যেভাবে ক্ষমতার মঞ্চে

ইয়োশিহিদে সুগার সত্যিকার অর্থে খুব বড় রাজনৈতিক কোনো পরিচয় নেই। জাপানের রাজনীতিতে পরিবার খুব বড় ভূমিকা রাখে, সেখানে সুগা এগিয়ে এসেছেন শুধুই নিজের মেধা দিয়ে। সাধারণ স্ট্রবেরিচাষির সন্তান ইয়োশিহিদে সুগা জীবনে ৭১ বছর পেরিয়ে হয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী। রাজনৈতিক দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতার সেক্রেটারি হিসেবে নিজের যাত্রা শুরু করেন সুগা।

খুব ছোট সেই পদ থেকে ১৯৯৬ সালে প্রথম সংসদের নিম্নকক্ষ ডায়েটের সদস্য হন তিনি। পরে ২০০৫ সালে সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী জুনিচিরো কাজুমির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয় ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে। এরপর ২০০৬ সালে প্রথম পরিচিত হন শিনজো আবের সঙ্গে। আবে পদত্যাগ করেন এক বছর পর। পথ হারায় এলডিপিও। কিন্তু ২০১২ সালে শিনজো আবে আবার ফিরে আসেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী হয়ে। সেই থেকেই ক্ষমতার খুব কাছেই অবস্থান ইয়োশিহিদে সুগার। সবশেষ গেল মাসে স্বাস্থ্যগত কারণে শিনজো আবে পদত্যাগ করলে ইয়োশিহিদে সুগা হন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।

নতুন নেতৃত্বে ভরসা

ক্ষমতাসীন দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নতুন নেতা এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী। কাগজে-কলমে ইয়োশিহিদে সুগার নতুন পদবি এটাই। সুগার সামনে নতুন এই পদে আসার রাস্তা কিছুটা সহজ আর একপেশেই ছিল। প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

নির্বাচনে সংসদের নিম্নকক্ষের ৪৬৫ ভোটের মধ্যে ৩১৪টিই ছিল সুগার দখলে, উচ্চকক্ষে পেয়েছেন ১৪২টি ভোট। এ ক্ষেত্রে মোট ভোট ছিল ২৪০টি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার খানিক বাদেই নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেন ইয়োশিহিদে সুগা।

কিন্তু নতুন নেতৃত্বে জাপানকে তিনি খুব বেশি চমক উপহার দেননি। সুগার মন্ত্রিসভায় ঘুরেফিরে শিনজো আবের রেখে যাওয়া মন্ত্রীরাই এসেছেন। নতুন নেতৃত্ব এলেও যেন শিনজো আবেই এখনো পর্যন্ত দ্বীপরাষ্ট্র জাপানের ভরসার কেন্দ্রে রয়ে গিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শিনজো আবের রেখে যাওয়া তোশিমিৎসু মোতেগির ওপরেই ভরসা রেখেছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। একই অবস্থা অর্থ মন্ত্রণালয়েও। আসু তারো রয়ে গিয়েছেন অর্থমন্ত্রী হিসেবে। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আসু তারোর অবস্থান দীর্ঘায়িত হওয়ার মাধ্যমে একটা জিনিস নিশ্চিত, জাপান এখনো পর্যন্ত আবেনোমিকসেই বিশ্বাস রাখতে চাইছে।

তবে বড় পদোন্নতি পেয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোতোনোবু কাতো। কভিডের এ সময় জাপানের স্বাস্থ্যখাতে নেতৃত্ব দেওয়া মানুষটা এবার ক্যাবিনেট সেক্রেটারির মতো বড় পদ সামলাবেন। নতুন নেতৃত্বে এসেই ভবিষ্যৎ নির্মাণের পরিকল্পনাও দেখিয়েছেন বর্ষীয়ান নেতা ইয়োশিহিদে সুগা।

এখানেও তুরুপের তাস হয়ে আছেন আবে। শিনজো আবের ভাই নোবুও কিশি চলে এসেছেন মন্ত্রিসভায়। সুগার অধীনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতো বড় পদে আসছেন আবে পরিবারের আগামীর প্রতিনিধি।

অনুমেয় ফলাফল

সত্যি বলতে শিনজো আবের সরে যাওয়াটাই সাম্প্রতিক জাপানের রাজনীতিতে বড় চমক ছিল। সবার ধারণা ছিল, মেয়াদ শেষ করেই পদ ছাড়বেন শিনজো আবে। আর আবের পরে ইয়োশিহিদে সুগাই যে ক্ষমতায় আসছেন, সেটা একেবারেই অনুমিত।

ইয়োশিহিদে সুগা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের বিশ্বস্ত সহচর ছিলেন। নিজের দলেও সুগার বেশ ভালোই গ্রহণযোগ্যতা ছিল। আবের দ্বিতীয় মেয়াদের আট বছরে জাপানের সব চড়াই-উতরাইয়ে আবের সঙ্গে সঙ্গেই ছিলেন সুগা। জাপানের সরকারি পদ্ধতিতে চিফ অফ স্টাফ এবং প্রেস সেক্রেটারির সমন্বয়ে গড়া চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি পদটাই এত দিন সামলে আসছিলেন ইয়োশিহিদে সুগা।

৭১ বছর বয়সী সুগা রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে দারুণ সফল ছিলেন। আবেনোমিকস নীতির পরিপ্রেক্ষিতে যে কজন মানুষ শুরু থেকে শেষ দিন পর্যন্ত শিনজো আবের সঙ্গে হাতে হাত রেখে চলে এসেছেন, তাদের মধ্যে প্রথম সারিতেই থাকবেন নতুন এই নেতা।

সুগার এই দায়িত্বপ্রাপ্তি তাই জাপানের জন্য একেবারেই অনুমেয় ফলাফল। জাপানের বিখ্যাত হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিভাগের প্রফেসর এবং সহকারী ডিন কাজুতো সুজুকির ভাষায়, ইয়োশিহিদে সুগা প্রকৃত অর্থে শিনজো আবের বিকল্প এক নেতা।

চতুর্মুখী চ্যালেঞ্জ

ইয়োশিহিদে সুগা এমন একসময় জাপানের প্রধানমন্ত্রীর পদ পেয়েছেন, যখন জাপানের সামনে দুঃসময়ের হাতছানি। বেশ কিছু কারণে ইয়োশিহিদে সুগাকে বড়সড় পরীক্ষা দিতে হবে সামনের কিছুদিন। প্রথমত, অবশ্যই করোনাভাইরাস সংক্রমণ।

জাপানে কভিড সংক্রমণের দ্বিতীয় পর্বের প্রায় শেষপর্যায়ে এসেই পদ ছেড়েছেন শিনজো আবে। আবের রেখে যাওয়া পরিস্থিতি ঠিক কতটা সামলাতে পারবেন, তার মাধ্যমেই ইয়োশিহিদে সুগাকে বিবেচনা করবে সবাই। এ কথা সত্য, কভিড নিয়ন্ত্রণে জাপান বেশ সফল। কিন্তু এটাও মনে রাখা দরকার, কভিডের কারণেই জাপানের অর্থনৈতিক অবস্থায় ব্যাপক দৈন্যদশা ফুটে উঠেছে।

রেকর্ড পরিমাণে নেমে গিয়েছে জাপানের জিডিপি। চলতি ২০২০ সালের দ্বিতীয় চতুর্ভাগে এসে জাপানের জিডিপি ছিল মাত্র ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। সংখ্যা বিবেচনায় এটি বেশ বড় মনে হলেও, জাপানের কাছে এটি বেশ নাজুক পরিস্থিতিই বলা যায়।

দ্বিতীয়ত, ২০২১ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক। ২০২০ সালের মহামারীর কারণে স্থগিত হওয়া টোকিও অলিম্পিক আগামী বছর আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান। জাপানের জন্য এই অলিম্পিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হতে পারত।

অলিম্পিক উপলক্ষে সারা বিশ্ব থেকে আসা সাংবাদিক, ক্রীড়াবিদ ও স্টাফ এবং পর্যটন সবকিছু মেনে নিয়েই পাঁচ বছর ধরে নিজেদের অর্থনীতি সাজিয়েছিল জাপান। মহামারীতে অলিম্পিক পিছিয়ে গেলেও এখনো আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী জাপান।

তবে সে ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত দর্শক সমাগম হবে কি না কিংবা সব ক্রীড়াবিদ অংশ নেবেন কি না তা বড় প্রশ্ন হিসেবেই রয়ে যাচ্ছে। আর এজন্য সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে অলিম্পিক গেমস ভিলেজে কভিড সংক্রমণ থেকে সবার নিরাপত্তার বিষয়টি। নতুন প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা কি সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারবেন? যদি তা নিশ্চিত করতে না পারেন, বড় একটা সংকটে পড়তে হবে জাপানকে।

সুগার সামনে তৃতীয় চ্যালেঞ্জটি রাজনৈতিক। আগামী বছরেই অর্থাৎ ২০২১ সালেই জাপানে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। স্বচ্ছ একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য ইয়োশিহিদে সুগা বাধ্য। স্বাভাবিক নিয়মেই এতে অংশ নেবে ক্ষমতাসীন দলটি।

কিন্তু নির্বাচনে কি সফল হবেন সুগা? ইয়োশিহিদে সুগা নিজেই যদি প্রধানমন্ত্রী পদে লড়তে চান, তবে মধ্যবর্তী এই ক্ষুদ্র সময়টায় তাকে জনগণের পরিচিত মুখ থেকে প্রিয় মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে নিজেকে।

২০১৭ নির্বাচনে যদিও শিনজো আবে জয় পেয়েছিলেন, তবে সে নির্বাচন আয়োজন করতে হয়েছিল কিছুটা অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে। সেবার জনপ্রিয়তার বিচারেও কিছুটা পিছিয়ে ছিল শিনজো আবের দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি।

ইয়োশিহিদে সুগার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জনগণের আস্থার জায়গায় ফিরে আসা। কয়েক বছর ধরেই জাপানকে আর্থিক সংকটের সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়তে হচ্ছে। জাপানের বড় দুই সামাজিক সমস্যার মধ্যে উল্লেখ করা যায়, ক্রমাগত বাড়তে থাকা সরকারি ঋণ ও বয়স্ক সমস্যা।

জাপানে দিনে দিনে বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে জাপানের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বয়স ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে। সেই সঙ্গে বাড়ছে সরকারি ঋণ। যেহেতু নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আগের প্রধানমন্ত্রীর রেখে যাওয়া নীতির ওপর অটল থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাই কাজটা খুব বেশি সহজ হতে যাচ্ছে না তার জন্য।

আবেনোমিকস জটিলতা

জাপানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সুগার কাছে সবার আগেই যে প্রশ্নটি আসে তা ছিল আবেনোমিকস বজায় থাকবে কি না। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জাপানি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের প্রধান ইউকি টাতসুমি বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাতে এই প্রশ্নের এক সহজ প্রদান করেন।

টাতসুমি বলেন, ‘সুগার এই নির্বাচিত হওয়া নিশ্চিত করেছে যে, আবের রেখে যাওয়া সব মূলনীতিই জাপান অনুসরণ করে যাবে। দেখার ব্যাপার হচ্ছে, তিনি আসলেই জাপানের মানুষের মধ্যে অর্থনীতি নিয়ে চলমান শঙ্কা কতটা কাটিয়ে তুলতে পারেন।’

শিনজো আবের নেওয়া অর্থনৈতিক কাঠামোতে সরকার এবং দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতি শিথিলের ব্যাপক এক সিদ্ধান্ত নেয়। তারা চেয়েছিল এর মাধ্যমে ব্যবসা কার্যক্রম আরও বেশি জোরদার করার জন্য। কিন্তু এতে করে ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে জাপানের মুদ্রার মান। যার কারণে দেশটিতে রপ্তানিকারকদের অবস্থান শক্ত হলেও মুদ্রাস্ফীতি তখনো নাগালের বাইরেই চলে যায়। স্বাভাবিকভাবেই বড় ঝড় পোহাতে হয় জাপানকে।

এ ছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে দেশের জিডিপি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সরকারি ব্যয় বাড়াতে চেয়েছিলেন ব্যাপক আকারে। ব্যাপক উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয় অবকাঠামোগত খাতে। কিন্তু এখানেও মোটের ওপর ব্যর্থ ছিলেন আবে। জাপানে বয়স্ক সমস্যার কারণে দক্ষ জনশক্তির পরিমাণ আনুপাতিক হারে কিছুটা কম। এ ছাড়া কভিড সংক্রমণের কারণে সে পথটাও আপাতত বন্ধ।

কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও ইয়োশিহিদে সুগা বলেই হয়তো জাপান এখনই পথ হারাচ্ছে না। বিগত সাত বছরে শিনজো আবের পাশে দাঁড়িয়ে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া মানুষটি অভিজ্ঞতার বিচারেও জাপানে ক্ষমতাসীন দলের আর কারও চেয়ে ব্যাপক পরিমাণ এগিয়ে আছেন।

ক্ষমতার একেবারে কেন্দ্রে থাকার কারণে সুগার কাছে সামনের দিনের সব নীতিই প্রায় দিবালোকের মতো স্পষ্ট। সংকটের চ্যালেঞ্জ কি সেই নীতি দিয়ে অতিক্রম করতে পারবেন তিনি? আগামী অক্টোবরেই দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন।

ইয়োশিহিদে সুগার সামনে সময় কেবল এক বছর এক মাস। এই স্বল্পসময়ে হয়তো জাপানের ত্রাতা হবেন, নয়তো ছিটকে যাবেন অনেকটা দূরে। ইয়োশিহিদে সুগার সামনের পথটা তাই ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার।

-লিখেছেন জুবায়ের আহাম্মেদ, দেশ রূপান্তর

আরও খবর
Loading...