প্যারিসে বাংলাদেশি শিল্পপতি কাজী এনায়েত উল্লাহর ‘লা মোজো দো উজবেকিস্তান‘র যাত্রা শুরু

এয়ারলাইন্স ডেস্ক: উজবেকিস্তানের সাহিত্য সংস্কৃতি ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে প্যারিসের বিখ্যাত এলাকা সাটল্যাতে যাত্রা শুরু করেছে লা মোজো দো উজবেকিস্তান নামে একটি প্রতিষ্ঠান।

প্যারিসের বাংলাদেশি শিল্পপতি কাজী এনায়েত উল্লাহর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও তত্ত্বাবধানে এ প্রতিষ্ঠান প্যারিসে উজবেকিস্তানের সমস্ত ইতিহাস ঐতিহ্য সাহিত্য ফরাসিদের মাঝে তুলে ধরবে। কাজী এনায়েত উল্লাহ বলেন, নানান ব্যবসার সঙ্গে এটি একটি নতুন সংযোজন।

এর আগে উজবেকিস্তানের এয়ারওয়েজের ইউরোপিয়ান জিএসএর দায়িত্ব পালনকালে সেই দেশের কৃষ্টি-কালচার আমাকে উদ্ভাসিত করেছে।

উজবেকিস্তান কেন? বাংলাদেশকে বহিঃবিশ্বে তুলে ধরার জন্য কাজ করছেন না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এর আগে বহুবার বাংলাদেশকে নিয়ে কাজ করতে চেয়েছি কিন্তু সরকারি-বেসরকারি কোন উদ্যোগেরই সহযোগিতা পাইনি। তবে আমি হাল ছাড়িনি। ভবিষ্যতে কারও সহযোগিতা না পেলেও বাংলাদেশের কৃষ্টি-কালচার সংস্কৃতি ফরাসিদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা আছে।

গেল রোববার লা মোজো দো উজবেকিস্তান উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- প্যারিসের উজবেকিস্তান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত সর্দার রোস্তম বায়েভ, প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী বিশিষ্ট শিল্পপতি কাজী এনায়েত উল্লাহ, ফ্রান্স বাংলা ইকোনমিক চেম্বারের ডিরেক্টর জানা মার্টিন।

উল্লেখ্য, উজবেকিস্তান মধ্য এশিয়ার সার্বভৌমত্ব এবং ধর্মনিরেপক্ষ একটি রাষ্ট্র। প্রাচ্য এবং প্রাশ্চাত্যের সভ্যতাকে সংযুক্ত করে বিশ্বে প্রত্নতত্ত্বের এক বিশাল সমাহার নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

প্রায় সাত হাজার বছর ধরে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বসবাসের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি সংরক্ষণ করে বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের মনযোগ আকর্ষণে দারুণ এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের কালে ১৯৯১ সালে ৩১ আগস্ট স্বাধীনতা ঘোষণা করে। তারপর থেকে দেশটি তার নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য স্বকীয়তা নিয়ে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে সমাসীন হয়।

-ফয়সাল আহাম্মেদ দ্বীপ, ফ্রান্স থেকে

আরও খবর
Loading...