বিমানের শিডিউল বিপর্যয়ে নাকাল যাত্রীরা, গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া

করোনাভাইরাস পরিস্তিতির কারণে দেশে টানা তিন মাস আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখার পর গত ১৬ জুন থেকে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চালু করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক কয়েকটি রুটে সীমিত পরিসরে বিমান চলাচল স্বাভাবিক হয়। শুধুমাত্র বাংলাদেশ বিমান, কাতার এয়ারওয়েজ এবং এমিরেটস হাতে গোনা কয়েকটি রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারছে। ছুটি কাটাতে আসা অভিবাসীরা প্রতি সপ্তাহে হাতে গোনা কয়েকটি ফ্লাইট চলাচলের কারণে সময় মতো ফিরে যেতে পারবেন কিনা, সেটা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

রিটার্ন টিকেট করেও অনেক সিট পাচ্ছেন না। আবার যারা রিটার্ন টিকেট করতে পারেননি তাদের কাছে চাওয়া হচ্ছে পাঁচ থেকে ১০ গুণ বেশি দাম। প্রতি সপ্তাহে  তিনটি এয়ারলাইন্সে ৬০০-৮০০ জন যাত্রী যেতে পারছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু দেশ ছাড়ার অপেক্ষায় রয়েছে লাখ লাখ প্রবাসী।

এমন অবস্থায় যারা রিটার্ন টিকেট করে এসেছেন তাদেরকে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে সিট দিচ্ছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।আর যারা টিকেট করেননি তাদের কাছে চাওয়া হচ্ছে ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি দাম।

সবচেয়ে বেশি দাম বাড়ানো হয়েছে কাতার এয়ারলাইন্সের।কাতার এয়ারওয়েজে আগে ওয়ানওয়ে টিকেটের দাম ছিল ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা।হাতে গোনা কয়েকটি বিজনেস ক্লাসের সিট খালি আছে। বিজনেস সিটের ন্যূনতম মূল্য ৫ লাখ টাকা ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোকাব্বির হোসেন বলেন, ‘চেক ইনের পর আমরা যাত্রীদের একটি সুরক্ষা ব্যাগ দেই, যেখানে দুটো মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার এবং ফেইস শিল্ড থাকে।

ইকোনমিতে ৫টা সিট পাশাপাশি। আমরা মাঝখানের সিটগুলো খালি রাখছি। পেছনের একটা সারি খালি রাখা হচ্ছে। এ কারণে ৬৩ ভাগ যাত্রী বহন করা যাচ্ছে। এ কারণে টিকেটের রেট কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।’

এছাড়া ঢাকা থেকে যাত্রী পরিবহন করা গেলেও, ফেরার পথে কোন যাত্রী না থাকায় টিকেট দাম বাড়িয়ে সেটা পুষিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আশা করা হচ্ছে সরকার ফ্লাইট চলাচল ৩রা জুলাইয়ের পর স্বাভাবিক করার অনুমোদন দিলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে।

সুত্রঃ বিবিসি

আরও খবর
Loading...