বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস, মৃতের সংখ্যা ২৬১৯ জন।

রোববার চীনে করোনাভাইরাসে ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনার বেশিরভাগই ঘটেছে হুবেই প্রদেশেই। চীনের মূল ভূখণ্ডে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫৯২ জনে।

রোববার চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে ইরানে আটজন, দক্ষিণ কোরিয়ায় সাতজন, জাপানে চারজন, ইতালিতে তিনজন, হংকংয়ে দুইজন এবং ফিলিপিন্স, ফ্রান্স ও তাইওয়ানে একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে।সব মিলিয়ে চীনের বাইরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৭ জন। সব মিলিয়ে এ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬১৯ জনে।

আন্তঃজাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। চীনে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ১৫০ জনে। আর ২৯টি দেশ ও তিনটি অঞ্চল মিলিয়ে এ পর্যন্ত অন্তত ৭৯ হাজার ৩৫৬ জন নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬১৯ জনে।

সার্স ও মার্স পরিবারের সদস্য নতুন এ করোনাভাইরাসের নাম দেওয়া হয়েছে নভেল করোনাভাইরাস। আর এর সংক্রমণে ফ্লুর মত উপসর্গ নিয়ে যে রোগ হচ্ছে, তাকে বলা হচ্ছে কভিড-১৯।মধ্য চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়। ঠিক কীভাবে করোনাভাইরাস মানুষের দেহে এসেছে- সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। এ রোগের কোনো প্রতিষেধকও মানুষের জানা নেই।

আক্রান্ত রোগীদের লালা ও শ্লেষ্মা পরীক্ষা করে চীনা বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন, নভেল করোনাভাইরাস যেভাবে ছড়াচ্ছে, তাতে সার্সের চেয়ে ইনফ্লুয়েঞ্জার সঙ্গেই এর মিল পাওয়া যাচ্ছে বেশি। আগে যেমনটা ভাবা হয়েছিল, তার চেয়েও সহজে এবং দ্রুত গতিতে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এতদিন নতুন করোনাভাইরাসের প্রকোপ চীনের মধ্যেই ছিল বেশি। কিন্তু গত কয়েক দিনে চীনের বাইরে বিভিন্ন দেশে দ্রুত বাড়ছে নতুন রোগীর সংখ্যা।

আরও খবর
Loading...