মেডিকেলের প্রশ্নফাঁস চক্রের ব্যাংকে ৬৫ কোটি টাকা, ৪২ একর জমি

মেডিকেলের প্রশ্নফাঁস চক্রের ১৩ সদস্যের ১৩৫ অ্যাকাউন্টে ৬৫ কোটি টাকা নামে-বেনামে ৪২ একর জমি যার বাজার মূল্য প্রায় ১শ’ কোটি টাকা। অবৈধভাবে আয় করার তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি।

প্রশ্নফাঁসের অবৈধ অর্থ দিয়ে বিপুল সম্পত্তির মালিক বনে গেছেন তারা- বলছে সিআইডি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার আইনে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। যত দ্রুত সম্ভব অভিযুক্তদের সম্পত্তি জব্দ করা উচিত বলে মনে করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার খানবানিয়ারা এলাকায় জসিম উদ্দীন ভূঁইয়া মুন্নুর পৈত্রিক নিবাস। ৮ ভাইবোনের মধ্যে বয়সে সবার ছোট হলেও টাকা পয়সা আর জমি জায়গায় ছাড়িয়ে গেছেন সবাইকে।

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে কোটি কোটি হাতিয়ে কিনেছেন একররের পর একর জমি। শুধু জমি কিনেই খান্ত হয়নি, সরকারি খালের মুখ বন্ধ করে কৃষককে বেকায়দায় ফেলেছেন তিনি।

গতবছরের ১৯ ও ২০ জুলাই মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে জসিম উদ্দীন ভূঁইয়া, পারভেজ খান, জাকির হোসেন দীপুসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

তাদের গ্রেফতারের পর পরই প্রশ্ন ফাঁস চক্রের বিশাল এক চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। প্রশ্ন ফাঁসকারী এ চক্রের সদস্যদের নামের সারা দেশে বিভিন্ন ব্যাংকের নামে ১৩৫টি অ্যাকাউন্টে হিসেবে ৬৫ কোটি টাকা অবৈধভাবে আয় করার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া অভিযুক্তদের নামে-বেনামে ৭৪টি দলিলে ৪২ একর জমির সন্ধান পাওয়া গেছে।

আরও খবর
Loading...