রাজধানীতে প্রতিরাতে ৫ হাজার রুমের চাহিদা এখন শূন্যে

১৩ আগস্ট পর্যন্ত দেশের সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ থাকায় এবার নেই কোনো ঈদ-কেন্দ্রীক ব্যবসা। হোটেল, রিসোর্ট থেকে শুরু করে ট্যুর অপারেটর ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট সব খাত লোকসান গুণছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। করোনা সংকটে অনিশ্চয়তায় পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রায় ৪০ লাখ মানুষ। অবশ্য ট্যুরিজম বোর্ড বলছে, দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতি এড়াতে ঈদের পর পর্যটন স্পটগুলোকে ভ্রমণকারীদের আকর্ষণে বিশেষ পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

বিলাসবহুল পাঁচ তারকা হোটেল। নয়নাভিরাম সাজসজ্জা আর সব ধরনের সুযোগ সুবিধার আয়োজন থাকলেও নেই অতিথি। স্বাভাবিক সময়ে কেবল রাজধানীতেই প্রতিরাতে ৫ হাজার রুমের চাহিদা থাকে। ঈদসহ অন্যান্য উৎসবকে ঘিরে দেশের প্রায় ১২শ’ ছোট-বড় হোটেল ও রিসোর্টের প্রতিটিই থাকে সরগরম। অথচ করোনা মহামারীতে এখন সবই স্থবির। ব্যবসা নেমে এসেছে শূণ্যের কোঠায়।

হোটেল রেনেসাঁর মহা-ব্যবস্থাপনা আজিম শাহ বলেন, মানুষের চলাফেরা, খাবার তৈরি থেকে শুরু করে পরিবেশন সবখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছি। তারপরও আমাদের কোনো আয় নেই। মালিক চাচ্ছে বলে শুধু খোলা রেখেছি।

করোনায় কক্সবাজারকে ঘোষণা করা হয়েছে রেডজোন। ৩ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ দেশের প্রায় সব পর্যটন স্পট। তাই ঈদুল আজহার মৌসুম পাচ্ছে না পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন (বিহা) কো-চেয়ার‌ম্যান খালেদ-উর-রহমান সানি বলেন, দুইটা ঈদকে সামনে রেখে আমাদের অনেক ধরনের আয়োজন থাকে। করোনা পরিস্থিতির কারণে এই লোকল ট্যুরিসমটা সফল হয়নি।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন -টোয়াব সভাপতি রাফিউজ্জামান বলেন, জুন জুলাই আগস্ট এই সিজনেই ১৪৮০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে।’

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পরিচালক মো. জাবেদ বলেন কোভিড দীর্ঘায়িত হলেও যেন ক্ষতির পরিমাণ কমানো যায় সেই লক্ষ্যে স্পেশাল অপারেটিং প্ল্যান প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার।

দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

আরও খবর
Loading...