শিগগির লন্ডন-সিলেট সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারছে না বিমান

কোয়ারেন্টিন সুবিধার অভাব

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের লন্ডন-সিলেট রুটের যাত্রীদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে লাগেজ সংগ্রহ ও কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতাও সারতে হচ্ছে ঢাকায়। পরবর্তী সময়ে অভ্যন্তরীণ অন্য ফ্লাইটে যাত্রীদের পাঠানো হচ্ছে সিলেটে। মূলত সিলেট বিমানবন্দরে করোনা পজিটিভ বা উপসর্গ রয়েছে এমন যাত্রীদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন বা আইসোলেশনে পাঠানোর ব্যবস্থা না থাকায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে।

গতকাল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত এপ্রিল থেকে সিলেট-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড কর্তৃক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সিলেট বিমানবন্দরের প্রস্তুতি যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্ট (ডিএফটি) সরেজমিন গত ফেব্রুয়ারিতে যাচাই করেছে। কিন্তু সম্মতি প্রদানের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া কভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে এখনো সম্পন্ন করতে পারেনি।

অন্যদিকে কভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবে বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট পরিস্থিতিতে গত মার্চ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে যায়। একইভাবে বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোয় বাণিজ্যিক অপারেশন বন্ধ করতে হয়েছে। জুন থেকে পুনরায় সীমিত আকারে বিমানবন্দরে বাণিজ্যিক অপারেশন শুরু হয়েছে। সে কারণে এপ্রিল থেকে বিমানের সিলেট-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা সম্ভব হয়নি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থার কারণে লন্ডন থেকে সিলেটে গমনকারী সম্মানিত যাত্রীদেরকে বিমান বর্তমানে ঢাকা হয়ে সিলেটে পরিবহনে বাধ্য হচ্ছে; এটি সাময়িক ব্যবস্থা। বিমান বর্তমানে লন্ডনে সপ্তাহে একটি মাত্র ফ্লাইট পরিচালনা করতে বাধ্য হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে কভিড-১৯-এর প্রভাব শেষ হবে এবং স্বাভাবিক অবস্থা পুনর্বহাল হবে।

আর স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃক সিলেটে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের সুবিধা তৈরি শেষ হলে বিমান লন্ডন থেকে সিলেটগামী যাত্রীদের সরাসরি সিলেটে পৌঁছাবে এবং যুক্তরাজ্যের ডিএফটি তাদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে বিমান সিলেট-লন্ডন রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

আরও খবর
Loading...