শাহজালাল বিমানবন্দরে যন্ত্রের অভাবে ঠেকানো যাচ্ছে না চোরাচালান

আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে দিন দিন অরক্ষিত হয়ে পড়ছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
ফলে চোরাচালানসহ নানা অবৈধ কাজ করেও পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা।
তাই দেশের প্রধান এবং সর্ববৃহৎ এ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সুরক্ষায় ২১৪ কেটি ৫০ লাখ টাকার আধুনিক ইকুইপমেন্ট (যন্ত্রাংশ) চেয়েছে ঢাকা কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ।
যাত্রীদের গমনাগমন সহজীকরণ; স্বর্ণ, মাদক ও মোবাইল চোরাচালান এবং রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধসহ গোয়েন্দা নজরদারি; মুদ্রাপাচার রোধ, মিথ্যা ঘোষণায় আমদানিকৃত পণ্য আটক ও পরিবেশ সুরক্ষার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে এসব চাওয়া হয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, এক চিঠির মাধ্যমে গত ২১ জানুয়ারি এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।
পাশাপাশি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আধুনিকায়নের ছোঁয়া লাগাতে ছয় ধরনের মোট ১১৪টি যন্ত্রাংশ চেয়ে তিনি একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন।
এর মধ্যে রয়েছে ১১টি ব্যাগেজ স্ক্যানার, দুটি ভেহিক্যাল স্ক্যানার, নয়টি হিউম্যান স্ক্যানার, ছয়টি প্যালেট স্ক্যানার, ৮০টি আইপি ক্যামেরা ও ছয়টি আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর।

আরও খবর
Loading...