সরকার অনুমোদিত করোনা পরীক্ষারের তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তিতে প্রবাসীরা

বিদেশ যাওয়ার জন্য করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিতে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন প্রবাসীরা। সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষনা করা হয়েছে বিদেশ  যাওয়ার জন্য অবশ্যই করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিতে হবে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোথা থেকে এই সার্টিফিকেট নিতে হবে সে বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। শুধু বলা হয়েছে সরকার অনুমোদিত হাসপাতাল থেকে এই সাটিফিকেট নিতে হবে।

এই অবস্থায় বিভ্রান্তিতে পড়েছেন প্রবাসীরা। তারা বলেছেন, জিকেজি ও রিজেন্ট হাসপাতালও এক সময় সরকার অনুমোদিত করোনা টেস্ট হাসপাতাল ছিলো। কিন্তু এসব হাসপাতালের টেস্ট রেজাল্ট নিয়ে অনেকে বিদেশে গিয়ে ঝামেলায় পড়েছেন। এসব হাসপাতালের করোনা নেগেটিভ রোগীরা বিদেশে গিয়ে করোনা পজেটিভ হয়ে যায়।

যার কারণে বিশ্বজুড়ে দেশের ভাবমুর্তিও নস্ট হয়। এই অবস্থায় সরকারের উচিত প্রবাসীদের জন্য আলাদা টেস্ট সেন্টার খুলে দেয়া। অথবা হাসপাতালের তালিকা প্রকাশ করা। কারণ আইডিসিআর  থেকে টেস্ট করানো অনেক ঝামেলা এবং সময় সাপেক্ষ।

উল্লেখ্য গত ১২ জুলাই সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিদেশে যেতে চাইলে বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিককে ‘করোনা নেগেটিভ’ সনদ নিয়ে যেতে হবে। সরকারের নির্ধারিত করোনা পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে এই সনদ সংগ্রহ করতে হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে এক ভার্চ্যুয়াল আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের সুবিধার্থে করোনা নেগেটিভ সনদ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে দেওয়ার বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। তা ছাড়া কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে গমনকারীদের করোনা পরীক্ষার সুবিধার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নির্দিষ্ট করোনা পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আন্তমন্ত্রণালয় সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমেদ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম অংশ নেন।
এ ছাড়া পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মুহিবুল হক, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন সভায় সংযুক্ত ছিলেন।
সম্প্রতি করোনা নেগেটিভ সনদ নিয়ে ভ্রমণকারী ঢাকা থেকে পৌঁছানো যাত্রীদের করোনাভাইরাস ধরা পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন বাংলাদেশের সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।

আরও খবর
Loading...