সৌদির আকাশ দিয়ে যে সুবিধা পাবে ইসরাইল-আমিরাত

ইসরাইল-আমিরাত ঐতিহাসিক বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। আমিরাতের উদ্দেশ্যে সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ইসরায়েলের রাজধানী তেলআবিবের বেনগুরিয়ান বিমানবন্দর ছাড়ে বিশেষ বিমানটি। বিমানে গায়ে আরবি, ইংরেজি ও হিব্রু ভাষায় ‘শান্তি’ লেখা ছিল। আরোহীদের টিকিটে লেখা আছে ‘আমরা ইতিহাস তৈরি করছি’।

ইসরায়েলের স্থানীয় এক সংবাদ মাধ্যমের তথ্য মতে, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন বোয়িং ৯০০-৭৩৭ বিশেষ বিমানটি সৌদির আকাশ পথ ধরে চলবে। খবর বিবিসির।

এদিকে আমিরাত-ইসরায়েল ঐতিহাসিক ‘শান্তি চুক্তি’ নিয়ে আলোচনা করতে আমেরিকা ও ইসরায়েলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল সংযুক্ত আরব আমিরাত পৌঁছেছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রর হোয়াইট হাউজের জৈষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেদ কুশনার। প্রতিনিধি দলে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা রবার্ট ওবরিন ও ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মাইর বিন শাবাত।

সৌদির আকাশ দিয়ে যে সুবিধা পাবে ইসরাইল-আমিরাত

সফরটি আমিরাত ও ইসরায়েল উভয় দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উভয় দেশের মধ্যে শান্তি চুক্তির পর আকাশ পথে বিমানের প্রথম ফ্লাইট। সৌদি আরবের আকাশ পথ ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো ইসরায়েলের বাণিজ্যিক বিমান চলাচল শুরু হল। তাছাড়া সৌদির আকাশ পথ ব্যবহার করায় ৮ ঘণ্টার বদলে মাত্র তিন ঘন্টায় আমিরাত পৌঁছে যায় বিশেষ বিমানটি।

ইসরাইলের চ্যানেল ম্যাকানের মতে, সৌদির আকাশ পথ ব্যবহার করে ইসরায়েলী প্রতিনিধিদের নিয়ে আমিরাত যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব। এর মাধ্যমে হোয়াইট হাউজের উপদেষ্টা জ্যারেদ কুশনার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আমিরাত-ইসরাইল চুক্তি অনুষ্ঠানে সৌদি যুবরাজ মোহম্মাদ বিন সালমানের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চায়।

সূত্র: বিবিসি, চ্যানেল ম্যাকান

আরও খবর
Loading...