NOVOAIR

সৌদির মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রভাব কমছে মধ্যপ্রাচ্যে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদি আরবের মিত্রতা ঐতিহাসিক ও কৌশলগত।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির সঙ্গে ওয়াশিংটনের বন্ধুত্ব ভিন্ন মাত্রা পায়।
বিশেষত সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের (সংক্ষেপে এমবিএস নামে পরিচিত) সঙ্গে ট্রাম্প ও তার জামাতা জ্যারেড কুশনারের ব্যক্তিগত হূদ্যতা উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।
তাদের সম্পর্কের আলোয় চাপা পড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আঞ্চলিক রাজনীতিতে প্রভাব বাড়ানোর নামে এমবিএসের হাত ধরে ইয়েমেনে সৌদি হস্তক্ষেপের মতো আলোচিত-সমালোচিত ইস্যু।
তবে ট্রাম্পের বিদায়ে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পররাষ্ট্রনীতিতে দীর্ঘদিনের মিত্র সৌদি আরবকে গুরুত্ব দিচ্ছেন ঠিকই, তবে ঔজ্জ্বল্য হারাতে বসেছেন এমবিএস।
বাইডেন প্রশাসনের শুরুর দিককার কার্যকলাপে অন্তত এমন ইঙ্গিত মিলছে।

সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের বয়স ৮৫ বছর।
দায়িত্ব চালিয়ে গেলেও বয়সজনিত অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ সময় তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে থাকেন। সৌদি আরবের ক্ষমতার লাগাম মূলত ৩৫ বছর বয়সী যুবরাজ সালমানের হাতে। আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে তরুণ নেতা এমবিএসের প্রভাব ও গুরুত্ব বেশ ভালো।
তবে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তার সমালোচনার অন্ত নেই।
বিশেষত তুরস্কের মাটিতে সৌদি রাজতন্ত্রবিরোধী সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ বিগত দিনগুলোয় এমবিএসের সমালোচনার পাল্লা ভারি করেছে।

আরও খবর
Loading...