করোনাভাইরাস মহামারি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশুদ্ধ বাতাসের গুরুত্ব শিখিয়েছে আমাদের।
গত কয়েক শতাব্দী ধরে মানুষের মাথাব্যথার কারণ ছিল কলকারখানার দূষিত বাতাস।
তবে করোনা মহামারি দেখা দেওয়ার পর মানুষ গুরুত্ব দিচ্ছে যে কোনো আবদ্ধ স্থানের বাতাসের প্রকৃতির ওপর।
আবদ্ধ বাতাসে যদি করোনা ভাইরাস ভেসে বেড়ায় তাহলে তা যে কোনো সুস্থ মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাসের
সঙ্গে ফুসফুসে প্রবেশ করে তাকেও অসুস্থ করে তুলতে পারে।
যে কোনো অফিস-আদালত, যানবাহন কিংবা প্লেনের ভেতরের বাতাস দূষিত কি না তা বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্লেনের অভ্যন্তরের বাতাস কতোটা নিরাপদ সেই প্রশ্নও এখন বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে যাত্রীদের সুরক্ষা দিতে বেশির ভাগ বিমান সংস্থা ভেতরের
বাতাস পরিশোধনে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
বলা হচ্ছে হাই ইফিসিয়েন্সি পার্টিকুলেট এয়ার (এইচইপিএ) ফিল্টারের মাধ্যমে প্লেনের ভেতরের বাতাস পরিশোধনের কারণে তা রেস্টুরেন্ট, পানশালা, যে কোনো সুপারশপ কিংবা বন্ধুর বাড়ির ড্রয়িং রুমের চেয়ে হয়ে উঠছে নিরাপদ।