আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আকাশপথের সমস্যার কারণে এই অস্থায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
দুবাই-ভারত রুটটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত আকাশপথ। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলো বিশাল সংকটে পড়েছে:
- এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস: এই মৌসুমে তাদের ৭৫০টিরও বেশি ফ্লাইট চালানোর পরিকল্পনা ছিল।
- ইন্ডিগো: তাদের প্রায় ৪৮১টি ফ্লাইট পরিচালনার কথা ছিল।
- স্পাইসজেট: তাদের ছিল ৬১টি ফ্লাইট।
এখন নতুন নিয়মে প্রতিটি এয়ারলাইন্স মাসে মাত্র ৩০-৩১টি ফ্লাইট চালাতে পারবে, যা তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় খুবই নগণ্য।
মজার বিষয় হলো, দুবাইয়ের নিজস্ব এয়ারলাইন্স যেমন—এমিরেটস (Emirates) এবং ফ্লাইদুবাই (flydubai) এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে না।
আপনি যদি এই সময়ের মধ্যে দুবাই ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তবে নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরি:
১. ফ্লাইটের অভাব: অনেক কম ফ্লাইট থাকায় আপনার পছন্দের সময়ে টিকিট পাওয়া কঠিন হবে।
২. ভাড়া বৃদ্ধি: আসন সংখ্যা কমে যাওয়ায় এবং চাহিদা বেশি থাকায় টিকিটের দাম আকাশচুম্বী হতে পারে।
৩. ছোট শহর থেকে বিচ্ছিন্নতা: ভারতের ছোট শহরগুলো থেকে দুবাইয়ের সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৪. বিকল্প রুট: অনেক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স এখন দুবাইয়ের পরিবর্তে এশিয়া-ইউরোপের অন্যান্য রুট ব্যবহার করছে।
