এমিরেটস তাদের ফার্স্ট ক্লাস সুইটে ব্যক্তিগত ‘এন-সুইট’ বাথরুম যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে।
প্রেসিডেন্ট টিম ক্লার্ক জানান, বিমানে যাত্রীদের সেরা অভিজ্ঞতা দিতে এই উদ্ভাবন এখন অত্যন্ত জরুরি।
২০২৬ সালের বার্লিন সামিটে তিনি বলেন, বাজারে টিকে থাকতে তারা সেবার মান প্রতিনিয়ত আধুনিক করছেন।
বর্তমানে এমিরেটসের ফার্স্ট ক্লাস সেবা বাণিজ্যিক এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা হিসেবে স্বীকৃত।
এয়ারবাস এ৩৮০ মডেলে এখন দুটি শাওয়ার স্পা, অনবোর্ড লাউঞ্জ ও বারের বিশেষ সুবিধা রয়েছে।
অন্যদিকে বোয়িং ৭৭৭ বিমানে রয়েছে মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত ঘেরা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কক্ষ।
বোয়িং ৭৭৭-এ গোসলের ব্যবস্থা না থাকলেও এতে অত্যাধুনিক ভার্চুয়াল উইন্ডো ব্যবহার করা হয়।
বর্তমানে ইতিহাদ এয়ারওয়েজের ‘দ্য রেসিডেন্স’ ছাড়া অন্য কোনো বিমানে ব্যক্তিগত বাথরুম নেই।
ইতিহাদের সেই বিশেষ তিন রুমের স্যুটে শোবার ঘরের সাথেই বাথরুম ও শাওয়ার থাকে।
এমিরেটসের এই নতুন পদক্ষেপ বিলাসিতার দিক থেকে ইতিহাদকেও চ্যালেঞ্জ জানাবে।
শুধু ফার্স্ট ক্লাস নয়, বর্তমানে ইকোনমি ক্লাসের সেবার মানও অনেক উন্নত করা হচ্ছে।
এমিরেটস ও ইতিহাদ এখন সাধারণ যাত্রীদের পাশের সিট কিনে নেওয়ার সুযোগ প্রদান করে।
এয়ার নিউজিল্যান্ড তাদের দীর্ঘ ফ্লাইটে যাত্রীদের ঘুমানোর জন্য বাঙ্ক বেডের ব্যবস্থা করছে।
ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সও ইকোনমি ক্লাসের আরাম বাড়াতে ‘রিল্যাক্স রো’ নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
টিম ক্লার্কের এই লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে আকাশপথে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আমূল বদলে যাবে।
