দেশের সবগুলো রানওয়ে রক্ষণাবেক্ষণের প্রস্তাব বিমানবাহিনী প্রধানের

Abu-Asrar20160517125418দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বাংলাদেশে নির্মিত সবগুলো রানওয়ে রক্ষণাবেক্ষণের প্রস্তাব করেছেন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার। দুর্যোগের সময় এসব রানওয়ে ব্যবহার করার জন্য সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব রাখেন তিনি। তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করে দেশের অব্যবহৃত রানওয়েগুলো সঠিক পদ্ধতিতে রক্ষণাবেক্ষণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

জাতীয় সংসদ ভবনে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৮তম বৈঠকে এ প্রস্তাব করেন তিনি।
কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান, মো. মাহবুবুর রহমান, মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এবং হোসনে আরা বেগম অংশ নেন।

এছাড়াও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কাজী হাবিবুল আউয়াল, নৌবাহিনী প্রধান এবং সেনা ও নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, বিমানবাহিনীর প্রধানের ওই প্রস্তাবের পর কমিটির একজন সদস্য প্রশ্ন রাখেন এখন আর ওই সব রানওয়ে রক্ষণাবেক্ষণের দরকার কি? তখন তিনি বলেন, দেশে কোনো দুর্যোগ হলে অতি দ্রুত সাহায্য সহযোগিতা পাঠানোর জন্য রানওয়েগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ দরকার। এরপর কমিটি এর গুরুত্ব অনুধাবন করে রক্ষণাবেক্ষণের সুপারিশ করে।

এ বিষয়ে কমিটির আরেক সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, দেশের রানওয়েগুলো শুধু রক্ষণাবেক্ষণই না, তা সম্প্রসারণেরও সুপারিশ করেছে কমিটি। তবে দেশে এ ধরনের কতগুলো রানওয়ে আছে তা জানা যায়নি। আগামী বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উত্থাপন করা হবে।

এদিকে জাতীয় সংসদের গণসংযোগ অধিশাখা থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বৈদেশিক ভাতা বিষয়ক নীতিমালা সংশোধনপূর্বক জাতিসংঘ থেকে ট্রপস কসট বাবদ প্রাপ্ত সম্পূর্ণ অর্থ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বণ্টনের এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভাতা প্রদানের পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.