বিমানের ডিএফও ক্যাপ্টেন তোফায়েলের পদত্যাগ

Tofayel_Biman_DFOএভিয়েশন নিউজ: অবশেষে বিমানের বহুল আলোচিত, অদক্ষ ও বিতর্কিত পরিচালক ফ্লাইট অপারেশন (ডিএফও) ক্যাপ্টেন তোফায়েল আহমেদ পদত্যাগ করেছেন।

শনিবার বিমানের পরিচালণা পর্যদ সভায় ক্যাপ্টেন তোফায়েলের অদক্ষতা ও নিম্ন মানের ফ্লাইট পরিচালণা নিয়ে পর্যদ সদস্যদের তোপের মুখে রোববার তিনি পদত্যাগ পত্র জমা দেন।

বিমানের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, নতুন বিদেশী এমডি বিমানে যোগদানের পর তিনি প্রতিটি বিভাগ নিয়ে আলাদা অলাদা ভাবে বৈঠক করেন।

এসব বৈঠক থেকে পাওয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগ্যতা সম্পর্কে  তিনি বোর্ড সদস্যদের অবহিত করেন। জানাগেছে এরই অংশ হিসাবে ক্যাপ্টেন তোফায়েল পদত্যাগ করেছেন।

জানাগেছে অদক্ষ ও অযোগ্যতার অভিযোগ এনে পরিচালক ফ্লাইট অপারেশন (ডিএফও) ক্যাপ্টেন তোফায়েল আহম্মেদের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করেছিল সিভিল এভিয়েশনের নিযুক্ত বিদেশী ইন্সট্রাকটর ক্যাপ্টেন মারিও ডি বরোডা। একই সঙ্গে ক্যাপ্টেন তোফায়েলকে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটসহ সব ধরনের ভিভিআইপি ফ্লাইট থেকে সরিয়ে রাখার সুপারিশ করেছিলেন ওই প্রশিক্ষক।

বিদেশী ইনসট্রাকটর মারিও ডি বরডা ই-মেইল বার্তায় বলেছিলেন, বিমানের পরিচালক ফ্লাইট অপারেশন (ডিএফও) ক্যাপ্টেন তোফায়েল আহম্মেদের ফ্লাইট পরিচালনা মারাÍক ঝুঁকিপূর্ণ।

ফ্লাইট সেফটি সংক্রান্ত ১৫টি মারাÍক তথ্য তুলে ধরে মারিও অবিলম্বে ক্যাপ্টেন তোফায়েলের পাইলট লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করেন। তিনি বলেছেন, ২০১৩ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত এক ট্রেনিংয়ে ক্যাপ্টেন তোফায়েল সবকিছুতে ফেল কনে।

কিন্তু বিমানের ট্রেনিং বিভাগ তাকে অতিরিক্ত সময় দিয়ে জোর করে পাস করাতে সহায়তা করেন। গত ১৬ নভেম্বর মারিও ডি বোরডা সিভিল এভিয়েশনের পরিচালক ফ্লাইট সেফটি গ্র“প ক্যাপ্টেন নামজমুল আনামকে চিঠি পাঠান।

বোরডার মেইলে বলা ছিল ডিএফও ক্যাপ্টেন তোফায়েল গত ১৪ নভেম্বর ৩০০ যাত্রী নিয়ে মালয়েশিয়া-ঢাকার একটি ফ্লাইট অবতরণের সময় ফ্লাইট ম্যানুয়েলের নিয়ম কানুন না মেনেই ফ্লাইট অবতরণ করিয়েছিলেন।

টেক্সিওয়ে (হোটেল সাইড) বন্ধ থাকার পরও তিনি ৮৯ নটিক্যাল মাইল বেগে ফ্লাইটটি ওই ট্যাক্সিওয়েতে ঢুকিয়ে দেন। পরবর্তীতে ক্যাপ্টেন জামান চিৎকার করে গতিরোধ করান। অন্যথা ফ্লাইটটি বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতো।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.