মানবপাচারে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশির ১০ বছরের জেল

2016_06_09_17_04_27_m2gBbidKBa8s8Lj4amk7TXYJKZiONp_originalমানুষ পাচারের অভিযোগে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে মালয়েশিয়ার একটি আদালত। ২০১৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে আন্দামান সাগর হয়ে থাইল্যান্ডের শংখলা প্রদেশে ৩ জন বাংলাদেশিকে পাচার করায় এই দণ্ড দেয় আদালত।

মালয়েশিয়ান ডেইলি দ্য স্টার সংবাদপত্রের খবরে বলা হয়, অভিযুক্ত ৩২ বছর বয়সি নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়ার পেরলিস প্রদেশের একটি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ২০১৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মোহাম্মদ নুরবসা, দেলোয়ার এবং জয় নামের ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে তিনি পাচার করেছেন।

এদিকে ২০১৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৫ সালের মে মাসের মধ্যে বিয়াও অং চুম্প নামের ৪৬ বছর বয়সি আরেক থাই নাগরিকের বিরুদ্ধে মোহাম্মাদ তোফাজ্জির হুসাইন নামের একজন বাংলাদেশিকে পাচার করার অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও প্রতিবেদনে পাচারের বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়নি।

কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ দুতাবাসের শ্রমিক সচিব মুশাররাত জেবিন ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন, এ সম্পর্কে কোন তথ্য তারা এখনো জানেন না। তবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে।

দূতাবাসের অন্য একজন কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের মানুষ পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে এর আগেও বেশ কয়েকটি মামলা করা হয়েছে।

গত বছরের ১১ই মে মালয়েশিয়ার লংকাই দ্বীপ থেকে পাচারের শিকার হওয়া ১,০৫১ জন মানুষ উদ্ধার করা হয় যার মধ্যে ৭১৬ জনই ছিলেন বাংলাদেশি। পাচারকারীরা তাদেরকে দ্বীপে ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল। ওই ৭১৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে ৬৭০ জন ইতিমধ্যে দেশে ফিরে এসেছে। বাকি ৪৬ জন মালয়েশিয়ার কারাগারে আটক রয়েছে।

গত বছর বঙ্গোপসাগর দিয়ে মানুষ পাচার চক্রের কথা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সাড়া ফেলার পর এখন পর্যন্ত পাচারের শিকার হওয়া ৩ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশিকে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং মিয়ানমার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.