খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ নিতে আদালতের অনুমতি লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশ নেয়ার কোনো আবেদন তার পরিবারের পক্ষ থেকে করা হয়নি। বিদেশ যেতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার (৪ মে) দুপুরে মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে তার পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ও সেখানে তার সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সোমবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে খালেদা জিয়াকে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালের সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকেই তাকে উন্নত চিকিৎসা দিতে দেশের বাইরে নেয়ার বিষয় নিয়ে নানা মহলে শুরু হয় গুঞ্জন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওইদিন রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোন দিয়ে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবগত করেন। ফোনালাপের পরপরই শুরু হয় গুঞ্জন।

গত ২৭ এপ্রিল রাতে খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরদিন বিএনপি প্রধানের চিকিৎসার জন্য ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, বোর্ডের হাতে এসেছে গত ৭ দিন যাবত বেগম জিয়ার শারীরিক পরীক্ষার সব রিপোর্ট।

বিএনপি নেত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ জানান, খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক আগে থেকে বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। এখন নতুন প্রেক্ষাপট আর সারা পৃথিবীজুড়ে করোনা মহামারির এই বাস্তবতায় বিষয়টি আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে।

যদিও খালেদা জিয়াকে কোন দেশে নিয়ে যাওয়া হবে, এ নিয়ে কেউই মন্তব্য করতে রাজি নন। তবে তার ছেলে তারেক রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর পরিবার লন্ডনে থাকায় সেখানে নেওয়ার বিষয়টিই বেশি আলোচনায়। তবে অবস্থা জটিল হলে সিঙ্গাপুর বা ব্যাংককেও নেওয়ার বিষয়েও গুঞ্জন রয়েছে বিভিন্ন মহলে।

দলীয় সূত্র জানায়, এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে আবেদনের পর কোনও অগ্রগতি না হওয়ায় সোমবার বিএনপির মহাসচিব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। বিশেষ করে, সোমবার বিকেলে খালেদা জিয়াকে শ্বাসকষ্টজনিত কারণে এভার কেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে স্থানান্তর করার বিষয়টি অবহিত করেন।

আরও খবর
Loading...