কাতারের রাজধানী দোহায় বাধ্য হয়েই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করলেন প্রবাসি বাংলাদেশিরা। ইস্ট ওয়েস্ট রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত ওই সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খন্দকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কথা বলছিলেন সেখানকার আওয়ামী পরিবার ও বাংলাদেশ কমিউনিটি। সম্মেলন শুরু করার কিছুক্ষণ পুর্বে সম্মেলনের আয়োজনকারি বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ কাতার শাখার সভাপতি সফিকুল ইসলাম প্রধানের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ হামলার জন্যে দায়ী করা হচ্ছে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতকে।
এমনিতে কাতারে বাংলাদেশি জনশক্তি রফতানি হ্রাস পেয়েছে। বেড়েছে নেপাল, পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, ইয়েমেন সহ বিভিন্ন দেশের জনশক্তি রফতানি। প্রবাসি বাংলাদেশিরা এ ব্যাপারে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও দূতাবাসে যেয়ে রাষ্ট্রদূতকে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে বারবার বলে আসলেও আদতে তিনি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। বাধ্য হয়েই তারা এ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন ডাকলে সেখানেও হামলার ঘটনা ঘটে।
বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ কাতার শাখার সভাপতি সফিকুল ইসলাম প্রধান সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতকে দেশের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের মত সক্রিয় হওয়ার আহবান জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্য বক্তা বলেন, কাতারে বাংলাদেশি জনশক্তি রফতানি হ্রাস পাচ্ছে অথচ এ ব্যাপারে রাষ্ট্রদূতকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়ার তাগিদ দিলে তিনি ‘প্যাকেট’ করে দেশে পাঠিয়ে দেয়ার হুমকি দেন। রাষ্ট্রদূতের এধরনের মন্তব্যে অনেকে দু:খ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিবেশি দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা কিভাবে নিজের দেশের জনশক্তি রফতানি ও বিনিয়োগের জন্যে কাজ করছেন তা অনুসরণ করলে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত অনাকাঙ্খিত কাজে নিজেকে জড়ানোর সুযোগ পেতেন না। একই সঙ্গে দেশের স্বার্থ রক্ষা হত। তার এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্যে সরকার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।–আমাদের সময়.কম