বোর্ডের হাতে মাহমুদুল্লাহ’র ভাগ্য

যে জিজ্ঞাসায় বিব্রত হতে হয়েছিল স্টুয়ার্ট ব্রড ও এউইন মরগ্যানকে, এবার সেই একই অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করে থাকল মাহমুদ উল্লাহর জন্যও।
এবং সেটি শুধুই ব্যর্থতার বিশ্বকাপ অভিযান শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে তাঁর জন্য নির্ধারিত চেয়ারে বসতে না বসতেই।
ব্রডকেও তা-ই।
২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের কাছে হেরেছিল ইংল্যান্ড।
চট্টগ্রামে সেই হারের পর সংবাদ সম্মেলনে আসতে না আসতেই অধিনায়ক ব্রডকে এক ইংরেজ সাংবাদিকের জিজ্ঞাসা ছিল এ রকম, ‘আপনার কি এখনো মনে হয় যে আপনি ওই চেয়ারে (ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে) বসার যোগ্য?’

প্রায় একই রকম দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ২০১৫ সালের অ্যাডিলেইডেও।
ওয়ানডের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে ইংলিশ অধিনায়কের কাছে ছুটে যাওয়া প্রশ্নের প্রথম তীরটিই ছিল এ রকম, ‘কবে অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন আপনি?’

সেবার যাঁর সেঞ্চুরিতে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দুর্ভাগ্য লেখা হয়েছিল ইংল্যান্ডের, এবার সেই মাহমুদ উল্লাহর জন্যও বরাদ্দ থাকল একই রকম সুচালো তীর। তবে একটু অন্যভাবেই, ‘২০১৫-এর বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হারার পর সংবাদ সম্মেলনে মরগ্যানকে প্রথম প্রশ্নই করা হয়েছিল যে তিনি কবে অধিনায়কত্ব ছাড়বেন? এবার এই বিশ্বকাপের মঞ্চে আপনাকেও একই প্রশ্ন করা হলে কি মাইন্ড করবেন?’

মৃদু হাসিতে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ‘না’ বলতেই পরের প্রশ্ন, ‘তাহলে আপনি কি নেতৃত্ব ছাড়বেন?’ মাহমুদ একই সঙ্গে বিসিবির কোর্টে বল ঠেলে দিলেন যেমন, তেমনি নিজের ভুল স্বীকারেও অকাতর হলেন, ‘এটি তো আমার হাতে নেই। এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেই আসবে। আমার তরফ থেকে সব সময়ই চেষ্টা করেছি দলটিকে আগলে রাখতে এবং ভালো পারফরম্যান্স আদায় করে নিতে। নিশ্চিতভাবে আমার অধিনায়কত্বে হয়তো ভুল ছিল, আমি ওভাবে পারফরম্যান্স আদায় করে নিতে পারিনি।’

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.