বিভিন্ন দেশের বাধা সত্ত্বেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে গিয়ে অনেক বাধা-বিঘ্ন হয়।অনেক দেশের বাধা সত্ত্বেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সাধারণ মানুষের ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন সরকার সব করেছে।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে গিয়ে শুধু দেশে না বড় বড় অনেক দেশের সরকার বা রাষ্ট্র প্রধানরা এই বিচারে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কেউ কেউ তো সরাসরি এ বিষয়ে আমাকে টেলিফোন করে কথাও বলে। কিন্তু যারা মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী তাদের বিচার হবে না। এসময় তাদের আমি একটি কথায় বলেছিলাম যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যারা অপরাধ করেছিল তাদের বিচার তো এখনও চলছে।

আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ৫৯তম বার্ষিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ওপর যারা অত্যাচার করেছে, আমার মা-বোনদের ওপর পাশবিক নির্যাতন করেছে, তারা হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে তাদের বিচার হবে না কেন? এই ধরনের চাপ কিন্তু সবসময়ই ছিল। কিন্তু তারপরও আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পেরেছি। এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে যারা এই বিচারগুলো করে যাচ্ছেন আমি তাদের কেউ অভিনন্দন জানায় এই সাহসী ভূমিকার জন্য।

নানামুখী চাপ থাকলেও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছে সরকার উল্লেখ্য শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করা যাবে না, সেই আইনও হয়েছিল এ দেশে। ইনডেমনিæটি অর্ডিন্যান্স বাতিল করে জাতির পিতা হত্যার বিচার করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। অথচ ১৫ আগস্ট আপনজন হারানোদের মানবাধিকার নিয়ে কেউ ভাবেনি কখনো।

তিনি বলেন, আমাদের বিচার যারা করবেন তাদের নিরাপত্তায়, তাদের কাজ করার একটা সুন্দর পরিবেশ যাতে হয় সেদিকে সরকারের বিশেষভাবে দৃষ্টি আছে। কারণ আমরা চাই যারা বিচার করবেন এবং যারা বিচার চাইতে সকলেই যেন সুস্থ একটা পরিবেশ পায়। ভালো াēভাবে থাকলে, ভালো পরিবেশ পেলে পরে চিন্তা করারও একটা ভালো সুযোগ হয়। কাজেই একটা সঠিক চিন্তা করেই কিন্তু বিচারটা করতে হয়। এটা একটা কঠিন কাজ। কাজেই সেই কাজটা যেন সহজভাবে হয় তার ব্যবস্থা করা এটা আমাদের দায়িত্ব। এজন্য ৬৪ জেলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জন্য ৮ থেকে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.