পাওনা পরিশোধে আরও দুইমাস সময় পেল সিটিসেল

citysellমোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলের কার্যক্রমে বাঁধা না দিতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি ২৮ আগস্ট রোববার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে সিটিসেলকে বাধা না দিতে হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশ বহাল রেখেছেন। একই সঙ্গে বিটিআরসির পাওনা পরিশোধে দু’মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বরের আগে সিটিসেলের কার্যক্রমে বাধা না দিতে বিটিআরসিকে আদেশ দেন বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ। যেহেতু আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিটিসেলকে কারণ দর্শানোর জবাব দেওয়ার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে, সেহেতু এই সময়ের আগে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানো যাবে না। সিটিসেলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ। আর বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই রাকিব ও সৈয়দ মাহছিব হোসেইন।

বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় সিটিসেলের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে ১৭ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায় বিটিআরসি। এ বিষয়ে জবাব দিতে সিটিসেলকে ৩০ দিনের সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছিলো। সিটিসেলের গ্রাহকদের বিকল্প সেবা বেছে নেওয়ার জন্য ৩১ জুলাই নোটিশ জারি করে বিটিআরসি। নোটিশে ১৬ আগস্টের মধ্যে গ্রাহকদের বিকল্প সেবা বেছে নেওয়ার সময় বেঁধে দেওয়া হয়। সময়সীমা পরবর্তীতে ২৩ আগস্ট মঙ্গলবার পর্যন্ত বাড়ায় বিটিআরসি।

এর আগে এই বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছিলেন, “সিটিসেল কর্তৃপক্ষের কাছে লাইসেন্স ফি এবং তরঙ্গ ফি বাবদ ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। যেহেতু সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদনের জন্য সিদ্ধান্তের কপি পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন পেলেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। বকেয়া রাজস্ব আদায় করবই, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকুক সকল অপারেটরের জন্যই, যে আমরা বকেয়ার ব্যাপারে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি। সিটিসেলের বকেয়া আদায়ের জন্য যত মামলা-মোকদ্দমা যা করা দরকার, তা আমরা করব, দ্রুততার সাথে বকেয়া আদায়ের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.