রাফাহ সীমান্তে ইসরাইলি হামলায় ২০ ফিলিস্তিনি নিহত

গাজার দক্ষিণাঞ্চলের রাফাহ এলাকায় কুওয়াইতি হাসপাতালের কাছে আবাসিক একটি ভবনে ইসরাইলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত ও ৫৫ জন আহত হয়েছেন। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার চালানো এ হামলায় হতাহতরা সবাই বেসামরিক নাগরিক বলে জানান গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কিদরা। খবর আল-জাজিরা’র।

আল-জাজিরার সংবাদদাতা তারেক আবু আজজুম জানিয়েছেন, ‘ইসরাইলের বিমান হামলায় ওই আবাসিক ভবনটি ধ্বংস হয়ে গেছে। ভবনটিতে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আশ্রয় নিয়েছিলেন।’ হামলার পরপরই সেখানে উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে রাফাহ শহরে হামলায় ২০ জনের মতো মানুষ নিহত হয়েছেন। আরও অনেকে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। সম্ভবত তারা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন।

রয়টার্সের খবরে এ হামলায় ৫৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। নুসিরাতের বেশ কয়েকজন আহত ব্যক্তিকে জাবালিয়ার আল-আওদা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে বলে জানায় আল-জাজিরা।

এছাড়াও বৃহস্পতিবার রাতে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস এলাকার একটি বাড়িতে ইসরাইলি বিমান হামলায় আট ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনের রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, মাঘাজি শরণার্থী শিবিরের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন।

এদিকে, ইসরাইলি বাহিনী ফিলিস্তিনি মধ্য গাজায় শরণার্থী শিবিরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। শরণার্থী শিবিরের দিকে ইসরাইলি সেনারা অগ্রসর হওয়ায় আনুমানিক দেড় লাখ সেখান থেকে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানায় বিবিসি।

গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলের হামলায় গাজায় ২১০ জন নিহত হয়েছেন বলে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এ নিয়ে গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের হামলার পর থেকে গাজায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২১ হাজার ৩২০ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৫৫ হাজার ৬০৩ জন। ইসরাইলে হামাসের হামলায় নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১ হাজার ১৩৯ জনে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.