ইউক্রেনের বিমান হামলায় রাশিয়ায় নিহত ২১

রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমের সীমান্তবর্তী শহর বেলগোরদে ইউক্রেনের বিমান হামলায় অন্তত ২১ জন বেসামরিক রুশ নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ক্রেমলিন। এ ছাড়া আহতের সংখ্যা শতাধিক। নিহতের মধ্যে তিনজন শিশুও রয়েছে বলে দাবি করেছেন বেলগোরদের রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমের সীমান্তবর্তী শহর বেলগোরদে ইউক্রেনের বিমান হামলায় অন্তত ২১ জন বেসামরিক রুশ নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ক্রেমলিন। এ ছাড়া আহতের সংখ্যা শতাধিক। নিহতের মধ্যে তিনজন শিশুও রয়েছে বলে দাবি করেছেন বেলগোরদের গভর্নর ব্যাচেস্লাভ গ্ল্যাডকভ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি দিয়েছে এ খবর।

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এই হামলাকে ধরা হচ্ছে কিয়েভের পক্ষ থেকে রাশিয়ায় চালানো সবচেয়ে ভয়াবহ আক্রমণ হিসেবে। তবে কেবল সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করেছে কিয়েভ। গত শুক্রবার ইউক্রেনে রুশ বিমান হামলায় নিহত হয়েছিল ৩৯ জন ইউক্রেনীয়। সেই হামলাকে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছিল কিয়েভ। তার পরদিন পাল্টা আক্রমণ হিসেবে বেলগোরদে হামলা করার কথা স্বীকার করেছে ইউক্রেন।

ইউক্রেনের একটি নিরাপত্তা সূত্র বিবিসিকে বলেছে যে, ইউক্রেনীয় শহর এবং বেসামরিকদের ওপর রাশিয়ার সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে রুশ লক্ষ্যবস্তুতে ৭০টিরও বেশি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। বেলগোরদে বেসামরিকদের হতাহতের জন্য রুশ বিমানবাহিনীর ‘অযোগ্যতাকে’ দায়ী করেছেন ইউক্রেনের সেই নিরাপত্তা সূত্র।

মস্কোর অভিযোগ, ইউক্রেনে নির্মিত ওলখা ও চেক প্রজাতন্ত্রে নির্মিত ভ্যাম্পায়ার রকেটসহ একাধিক ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছিল ইউক্রেন। বেলগোরদের গভর্নর ব্যাচেস্লাভ গ্ল্যাডকভ বলেন, ইউক্রেনের সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বেলগোরদে শনিবার একটি আবাসিক এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। টেলিগ্রামে দেওয়া পোস্টে তিনি সাইরেন বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে সব বাসিন্দাকে বিমান হামলার আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে এই হামলার বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে বলে জানায় ক্রেমলিন। ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি দল এবং জরুরি মন্ত্রণালয়ের উদ্ধারকারীদের বেলগোরদে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইউক্রেনের এই হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন বলেছে যে, নিজেদের পরাজয় অনিবার্য জেনে সেদিক থেকে মনোযোগ সরাতে এবং ক্রেমলিনকে উসকানি দিতেই এই হামলা করেছে কিয়েভ। রুশ বিমান বিধ্বংসী ইউনিট গত শুক্রবার বেলগোরদে ১৩টি ইউক্রেনীয় রকেট ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

রুশ বাহিনী সারা দেশে ৩২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে বলে মস্কোর কর্মকর্তারা শনিবার জানান। মস্কো, ব্রায়ানস্ক, ওরিওল ও কুরস্ক অঞ্চলের আকাশে ড্রোন দেখা গেছে বলেও মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষার মাধ্যমে সব ড্রোনই ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে মস্কো।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) বৈঠকে প্রাণঘাতী এই হামলার বিষয়ে আলোচনার জন্য গতকাল শনিবার অনুরোধ করেছে রাশিয়া। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া এই হামলাকে বেসামরিক শহরে কিয়েভ সরকারের ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর দাবি, রাশিয়ার একটি ক্রীড়া কেন্দ্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে কিয়েভ।
তবে রাশিয়া এই যুদ্ধ শুরু করেছে বলে পাল্টা জবাব দিয়েছে ইউক্রেন ও তার মিত্ররা। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত সের্হি ডভোর্নিক বলেন, মানুষের দুর্দশা শেষ করার একটাই উপায়, যুদ্ধ বন্ধ করা। যুদ্ধ বন্ধ এবং ইউক্রেন থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি জন কেলি বলেন, ‘এই যুদ্ধের প্রকৃত এবং ক্রমবর্ধমান ক্ষতি সম্পর্কে পুতিনের নিজের জনগণকে সত্যি বলা উচিত। আমরা আজ আবার এখানে এোসেছি, কারণ ক্রেমলিন তার অবৈধ আগ্রাসন বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।’ ব্যাচেস্লাভ গ্ল্যাডকভ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি দিয়েছে এ খবর।

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এই হামলাকে ধরা হচ্ছে কিয়েভের পক্ষ থেকে রাশিয়ায় চালানো সবচেয়ে ভয়াবহ আক্রমণ হিসেবে। তবে কেবল সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করেছে কিয়েভ। গত শুক্রবার ইউক্রেনে রুশ বিমান হামলায় নিহত হয়েছিল ৩৯ জন ইউক্রেনীয়। সেই হামলাকে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছিল কিয়েভ। তার পরদিন পাল্টা আক্রমণ হিসেবে বেলগোরদে হামলা করার কথা স্বীকার করেছে ইউক্রেন।

ইউক্রেনের একটি নিরাপত্তা সূত্র বিবিসিকে বলেছে যে, ইউক্রেনীয় শহর এবং বেসামরিকদের ওপর রাশিয়ার সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে রুশ লক্ষ্যবস্তুতে ৭০টিরও বেশি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। বেলগোরদে বেসামরিকদের হতাহতের জন্য রুশ বিমানবাহিনীর ‘অযোগ্যতাকে’ দায়ী করেছেন ইউক্রেনের সেই নিরাপত্তা সূত্র।

মস্কোর অভিযোগ, ইউক্রেনে নির্মিত ওলখা ও চেক প্রজাতন্ত্রে নির্মিত ভ্যাম্পায়ার রকেটসহ একাধিক ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছিল ইউক্রেন। বেলগোরদের গভর্নর ব্যাচেস্লাভ গ্ল্যাডকভ বলেন, ইউক্রেনের সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বেলগোরদে শনিবার একটি আবাসিক এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। টেলিগ্রামে দেওয়া পোস্টে তিনি সাইরেন বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে সব বাসিন্দাকে বিমান হামলার আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে এই হামলার বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে বলে জানায় ক্রেমলিন। ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি দল এবং জরুরি মন্ত্রণালয়ের উদ্ধারকারীদের বেলগোরদে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইউক্রেনের এই হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন বলেছে যে, নিজেদের পরাজয় অনিবার্য জেনে সেদিক থেকে মনোযোগ সরাতে এবং ক্রেমলিনকে উসকানি দিতেই এই হামলা করেছে কিয়েভ। রুশ বিমান বিধ্বংসী ইউনিট গত শুক্রবার বেলগোরদে ১৩টি ইউক্রেনীয় রকেট ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

রুশ বাহিনী সারা দেশে ৩২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে বলে মস্কোর কর্মকর্তারা শনিবার জানান। মস্কো, ব্রায়ানস্ক, ওরিওল ও কুরস্ক অঞ্চলের আকাশে ড্রোন দেখা গেছে বলেও মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষার মাধ্যমে সব ড্রোনই ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে মস্কো।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) বৈঠকে প্রাণঘাতী এই হামলার বিষয়ে আলোচনার জন্য গতকাল শনিবার অনুরোধ করেছে রাশিয়া। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া এই হামলাকে বেসামরিক শহরে কিয়েভ সরকারের ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর দাবি, রাশিয়ার একটি ক্রীড়া কেন্দ্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে কিয়েভ।
তবে রাশিয়া এই যুদ্ধ শুরু করেছে বলে পাল্টা জবাব দিয়েছে ইউক্রেন ও তার মিত্ররা। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত সের্হি ডভোর্নিক বলেন, মানুষের দুর্দশা শেষ করার একটাই উপায়, যুদ্ধ বন্ধ করা। যুদ্ধ বন্ধ এবং ইউক্রেন থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি জন কেলি বলেন, ‘এই যুদ্ধের প্রকৃত এবং ক্রমবর্ধমান ক্ষতি সম্পর্কে পুতিনের নিজের জনগণকে সত্যি বলা উচিত। আমরা আজ আবার এখানে এোসেছি, কারণ ক্রেমলিন তার অবৈধ আগ্রাসন বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।’

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.