দেশের ব্যাংকিং খাতে প্রযুক্তিনির্ভর লেনদেনের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে।
বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক আরটিজিএস, বিএফটিএন, ইএফটি, ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচসহ অনেকগুলো প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালু করেছে। যার মাধ্যমে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে টাকা লেনদেন হচ্ছে। দেশে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়লেও সে হারে বাড়েনি এ খাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সোমবার দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বিআইবিএম মিলনায়তনে ‘সিকিউর ইউর পেমেন্ট ইকোসিস্টেম ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনার বক্তারা এসব কথা বলেন।
ভিসা ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের সাথে যৌথ উদ্যোগে সিটিও ফোরাম এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভিসা ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার চিফ রিস্ক অফিসার শিবকুমার শ্রীরামন। প্রধান অতিথি ছিলেন বিআইবিএমের ডিরেক্টর জেনারেল ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী।
সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকার বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৬টি ব্যাংক ও ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে। বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক আরটিজিএস, বিএফটিএন, ইএফটি, ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচসহ অনেকগুলো প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালু করেছে, যার মাধ্যমে ইলেক্ট্রনিকভাবে টাকা লেনদেন হচ্ছে।
কিন্তু ইলেক্ট্রনিক লেনদেনের প্রধান বাধা হচ্ছে এর নিরাপত্তা। ব্যাংকগুলোকে অবশ্যই পিসিআই-ডিএসএস ও ইএমভির মত প্রযুক্তি ব্যাবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে। দেশে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু ব্যাংকগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ততটা সন্তোষজনক নয়।
কোন কোন পদ্ধতি অবলম্বন করে গ্রাহকের টাকা ও তথ্য সুরক্ষিত রাখা যায়। সেসব বিষয়ে আলোকপাত করা এবং দেশের জন্য প্রয়োগযোগ্য পদ্ধতি সুপারিশের লক্ষ্যে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সেমিনারের দ্বিতীয় পর্বে প্যানেল আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার দেবদুলাল রায়, স্ট্যান্ডার্ড চ্যাটার্ট ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি প্রধান মো. মুনিতুর রহমান, কর্মাশিয়াল ব্যাংক অব সিলন পিএলসির তথ্যপ্রযুক্তি প্রধান ড. ইজাজুল হক ও ডাটা এজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুর এ আলম।