হাজিদের সিটি চেক ইনে প্রযুক্তির ব্যবহার

ফিরতি ফ্লাইটে হাজিদের সিটি চেক ইন এখন আধুনিক প্রযুক্তিতে চলছে। এতে বিমানবন্দরে সহজেই লাগেজ ট্র্যাকিং করা সম্ভব হচ্ছে। এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরিতেও সময় কম লাগছে। অর্থাৎ হজ শেষে হাজিরা মক্কা বা মদিনা থেকেই তাঁদের মালামাল জমা দেবেন এবং ঢাকায় বিমানবন্দরে এসে ফেরত পাবেন। এটাই সিটি চেক ইন। আগে মালামাল hajj20160927161309হাজিদেরই জেদ্দায় নিয়ে যেতে হতো।

বাংলাদেশ বিমানের জেদ্দার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. আলী উসমান নুর জানান, বিমানের টিকিট বুকিং সিস্টেম থেকে শুরু করে প্রতিটি ফ্লাইটের যাত্রীদের তথ্য একসেল ফরম্যাটে আলফা কার্গোকে দেওয়া হচ্ছে। লাগেজে কিউআর কোড ট্যাগ থাকায় সহজে শনাক্ত করা যাচ্ছে। প্রতিটি যাত্রীর লাগেজের কোড একসেলে এন্ট্রি করা হচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে মোবাইল সিস্টেমে কিউআর কোড ও পাসপোর্টের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এতে লাগেজ ট্র্যাকিং সহজ হচ্ছে।

মো. আলী উসমান নুর জানান, কলসেন্টারের মাধ্যমে সব হজ এজেন্সিকে ফোন করে সিটি চেক ইনের তথ্য দেওয়া হয়েছে। ঢাকায় হারানো লাগেজের জন্য কলসেন্টারের মাধ্যমে হজযাত্রীদের ফোন করা হচ্ছে।

সৌদি আরব থেকে হজযাত্রীদের ফেরা সহজ করতে ২০১৪ সাল থেকে সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশ বিমান সিটি চেক ইনসেবা চালু করে। এই প্রক্রিয়ায় হজযাত্রীরা মক্কা বা মদিনাতে তাঁদের মালপত্র বিমানের কাউন্টারে জমা দেন। ওই কাউন্টার থেকে মালপত্র বাংলাদেশের বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। কিন্তু সিটি চেক ইনে ইলেকট্রনিক পদ্ধতি অনুসরণ না করায় ২০১৫ সালে মালপত্র নিয়ে অব্যবস্থাপনা দেখা দেয়। এতে হজযাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। চলতি বছর জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি ২০১৬-তে হজযাত্রীদের সিটি চেক ইনের সঙ্গে লাগেজ ট্র্যাকিং সিস্টেম বসানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এয়ারলাইনস নিজেদের সুবিধার জন্য বিজনেস অটোমেশন লিমিটেড মোবাইল ফোনভিত্তিক লাগেজ ট্র্যাকিং সিস্টেম তৈরি করেছে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.