সুখবর হতে পারেন হিলারি, তবে ট্রাম্প অজানা

d920e1088707949fa21367f7fb6f5d5a-6ওয়াশিংটনের উইলসন সেন্টারের এশিয়া বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম মাইলাম মনে করেন, হিলারি ক্লিনটন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে তা বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে। হিলারি দেশটির সঙ্গে পরিচিত, তাঁর এই দেশে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহ ও তাদের সমস্যার সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত।
দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ে রাষ্ট্রদূত মাইলামের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ১৯৯০-১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ ও ১৯৯৮-২০০১ সালে পাকিস্তানে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন। প্রথম আলোর সঙ্গে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এই বর্ষীয়ান কূটনীতিক বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, দক্ষিণ এশিয়া বা বাংলাদেশের ব্যাপারে তাঁর নীতি কী হবে, সে কথা বলা অসম্ভব। ট্রাম্প এই বিষয়ে এ পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি, এ প্রশ্নে তাঁর কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিগত অবস্থান রয়েছে, তারও কোনো প্রমাণ নেই।
রাষ্ট্রদূত মাইলাম মনে করেন, ‘বাংলাদেশের জন্য হিলারি ক্লিনটনের একধরনের দুর্বলতা রয়েছে।’ ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিচয় রয়েছে। হিলারি ক্লিনটন আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের আনন্দিত হওয়ার কারণ থাকবে।
রাষ্ট্রদূত মাইলাম বলেন, দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষত ভারত ও পাকিস্তান প্রশ্নে পরবর্তী প্রেসিডেন্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি দেশ এখন সংঘর্ষের মুখোমুখি। আণবিক অস্ত্রধারী এই দুটি দেশকে সামরিক সংঘর্ষের পথ থেকে কীভাবে সরিয়ে আনা যায়, পরবর্তী প্রেসিডেন্টকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তা বিবেচনা করতে হবে।
মাইলাম মনে করিয়ে দেন হিলারি প্রেসিডেন্ট ওবামার উত্তরসূরি হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে অধিকাংশ বৈদেশিক নীতি প্রশ্নে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন তিনি হয়তো করবেন না। তবে মধ্যপ্রাচ্য প্রশ্নে তাঁকে মার্কিন নীতি নতুন করে ভাবতে হতে পারে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.