যুক্তরাজ্যে অবৈধ ইমিগ্রান্টকে ধরিয়ে দিচ্ছে পরিচিতরা!

border-agencyএভিয়েশন নিউজ: গত বছর ২০১৩ সালে ইউকেবিএ ৪ হাজার ৫৩৫ জন অবৈধ ইমিগ্রান্টকে আটক করেছে বলে তাদের এক পরিসংখ্যানে জানিয়েছে। বিশেষ হটলাইনে ফোন করে সাধারণ মানুষরাই জানিয়ে দিচ্ছেন অবৈধ ইমিগ্রান্ট সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য। হোম অফিসের প্রদত্ত তথ্যে বিষয়টি পরিষ্কার করে বলা না হলেও ধারণা করা যায় মূলত পরিচিতজনরাই খবরটি হোম অফিসের হটলাইনে পৌঁছে দিচ্ছেন। জানিয়ে দিচ্ছেন তার অবস্থান।

কারণ ব্রিটেনে কার ইমিগ্রেশন স্ট্যটাস কি সেই তথ্য আপনজন ছাড়া অন্যরা খুব বেশি জানেন না বা জানার সুযোগ নাই। ব্রিটেনের সাধারণ মানুষ বা পরিচিত জনের এই দেয়া প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করছে ইউকেবিএ। আর এভাবেই ২০১৩ সালে ইমিগ্রেশন আইন ভঙ্গের দায়ে ৪ হাজার ৫৩৫ জনকে আটক করেছে তারা। তবে আটক ইমিগ্রান্টদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে খুব একটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি হোম অফিস।

২০১৩ সালে সাড়ে ৪ হাজার আটক হওয়া অবৈধ ইমিগ্রান্টদের মাত্র ১ হাজার ৫৮৫ জনকে ব্রিটেন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে হোম অফিসের পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে হোম অফিসের এক মুখপাত্র বলেছেন, অবৈধ ইমিগ্রান্ট সম্পর্কে জনসাধারণের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য খুব গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করি। তবে সব সময় তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য সঠিক হয় না। এছাড়া আইনি জটিলতার কারণে অবৈধ ইমিগ্রান্টদের দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানোও সম্ভব হয় না।

অন্যদিকে অবৈধ ইমিগ্রান্টদের বহিষ্কার ঠেকাতে সাধারণত যে আইনের অধীনে আপিল করা হয় সেই আইনেও সংশধোন এনে কমিয়ে দেয়া হচ্ছে সেই আপিলের সুযোগ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী অবৈধ ইমিগ্রান্ট বা অপরাধীকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর পরই আপিলের শুনানি হবে।
পূর্বের আইনে এদেশে থেকেই আপিল করার সুযোগ বিদ্যমান ছিল। নতুন আইনে পূর্বের ১৭টি কারণের মধ্যে মাত্র ৪টি কারণ কার্যকর থাকবে। যার মাধ্যমে আপিল করা যাবে। সব বিবেচনায় অনেকেই মনে করছেন আত্মীয় পরিচিত সাধারণ মানুষই ব্রিটেনে ইমিগ্রেশন অফিসারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.