এক বছরে ফ্লাইট গুটিয়ে নিয়েছে ৫ এয়ারলাইন্স, বিপাকে পড়ছে যাত্রীরা

এক বছরে ফ্লাইট গুটিয়ে নিয়েছে ৫ এয়ারলাইন্স, বিপাকে পড়ছে যাত্রীরা।

এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট অপারেশন বন্ধ করেছে পাঁচটি বিদেশি এয়ারলাইন্স। এর ফলে বেশি বিপাকে পড়েছেন  মধ্যপ্রাচ্য গামী যাত্রীরা। চাহিদার তুলনায় ফ্লাইট কম থাকায় অনেক সময় অতিরিক্ত বিমান ভাড়া গুণতে হচ্ছে তাদের।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিচালন ব্যয় বাড়ায় এবং সরকারি কিছু নীতিমালার কারণে ফ্লাইট গুটিয়ে নিয়েছে এসব এয়ারলাইন্স।

তবে বিমান সচিব বলছেন, বাণিজ্যিক কারণেই ফ্লাইট বন্ধ করেছে বিমানসংস্থাগুলো।

দীর্ঘ এক যুগ বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনার পর অক্টোবর থেকে এদেশে সমস্ত ফ্লাইট অপারেশন বন্ধ করে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এয়ারলাইন্স ইতিহাদ এয়ারওয়েজ। মধ্যপ্রাচ্য ছাড়া ইউরোপ আমেরিকার বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করত অন্যতম বড় এই এয়ারলাইন্সটি।

এর আগে গত জুনে ফ্লাইট গুটিয়ে নেয় ফ্লাই দুবাই। গত এক বছরে এভাবে বাংলাদেশে কার্যক্রম বন্ধ করেছে ওমান এয়ার, ব্যাংকক এয়ার ও থাই স্মাইল। এজন্য জেনারেল সেলস এজেন্ট নিয়োগের বাধ্যবাধকতা এবং অতিরিক্ত গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও সার্ভিজ চার্জকে দায়ী করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এতে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে পর্যাপ্ত ফ্লাইট না থাকা ও ভাড়া বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যগামী চট্টগ্রামের যাত্রীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এতে সিভিল এভিয়েশন ও বাংলাদেশ বিমানের সার্ভিস চার্জ ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং খাতে আয় কমেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে বিমানে প্রতি বছর প্রায় ৭৬ লাখ যাত্রী ভ্রমণ করেন। ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ ও সাশ্রয়ী ভাড়া নিশ্চিতে পর্যাপ্ত এয়ারলাইন্স থাকা দরকার বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.