‘এবারের নির্বাচন স্বাধীনতার পক্ষের সঙ্গে বিপক্ষ শক্তির যুদ্ধ’
একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে স্বাধীনতার পক্ষের সঙ্গে বিপক্ষ শক্তির যুদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে স্বাধীনতার পক্ষের ও স্বাধীনতার বিরোধীদের মধ্যে যুদ্ধ হচ্ছে। এই নির্বাচনে আমাদের স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রত্যাখ্যান করতেই হবে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সকল মানুষ চায় উন্নয়ন। তারা আর ধ্বংস-ফ্যাসাদ চায় না। কারণ বর্তমানে তারা অনেক শান্তিতে আছে এবং তাদের এখন অন্যের কাছে ভিক্ষা করতে হয় না। সেই অবস্থায় তারা পৌঁছেছে। এটাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। শুধু ধরে রাখলে হবে না, সেটাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
আইনমন্ত্রী মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সপক্ষের আইনজীবীদের জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সারা বিশ্বে আমাদের পরিচিত করে দিয়েছেন। আমরা চাই তার নেতৃত্বে ২০২১ সালে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হোক। আমরা চাই ২০৪১ সালে বাংলাদেশ শেখ হাসিনার স্বপ্নের উন্নত দেশ হোক। এই পরিকল্পনা নিয়ে আমরা যদি এগিয়ে যাই তাহলে আসছে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধীদের সপক্ষের দলকে পরাজিত করতে হবে। তাদেরকে নির্মূল করতে হবে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনে স্বাধীনতার পক্ষের ও স্বাধীনতার বিরোধীদের মধ্যে যুদ্ধ হচ্ছে। এই নির্বাচনে আমাদের স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রত্যাখ্যান করতেই হবে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ২১০০ সালে বাংলাদেশের উন্নয়নের পরিকল্পনা দিয়েছেন। তিনি ছাড়া আর কেউ বাংলাদেশকে নিয়ে ২১০০ সালের পরিকল্পনা দেয় নাই। তাই এই নেতৃত্বকেই আমাদের ধরে রাখতে হবে। এই নেতৃত্বের হাত শক্ত করতে হবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রথম চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলাম, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, অ্যাডভোকেট রানাদাশ গুপ্ত প্রমুখ বক্তব্য দেন।