গেল বছরের যেসব বিমান দুর্ঘটনা, নিহতের সংখ্যা ১৩ গুণ বেশি

গেল বছরের চেয়ে ২০১৮ সালে বিমান দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে। তবে বিমান দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে বছরটি ছিল ‘নবম নিরাপদ বছর’।

২০১৮ সালের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ঘটে অক্টোবরে। ওই দুর্ঘটনায় জাভা সাগরে বিধ্বস্ত লায়ন এয়ারের একটি ফ্লাইটের ১৮৯ আরোহী প্রাণ হারিয়েছিলেন। ইন্দোনেশিয়ায় বোয়িংয়ের এ ৭৩৭ ম্যাক্স বিমানটি ছাড়াও গত বছর জুলাইয়ে কিউবায় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ফেব্রুয়ারিতে ইরানের জাগরোস পর্বতে বিমান বিধ্বস্ত জয়ে ৬৬ এবং পরের মাসেই নেপালের কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনায় ৫১ আরোহী নিহত হয়।

এএসএন বলছে, ২০১৭ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৪। আর ২০১৮ সালে মারা গেছেন ৫৫৬ জন, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৩ গুণ বেশি।

এদিকে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাত্রীবাহী কোনো বাণিজ্যিক বিমান দুর্ঘটনায় না পড়ায় ২০১৭ সালকে বিমান যাতায়াতের ইতিহাসে সবচেয়ে নিরাপদ বছর হিসেবে অভিহিত করা হয়।

আগের বছরের তুলনায় ২০১৮ সালে দুর্ঘটনা ও হতাহতের পরিমাণ বেশি হলেও অ্যাভিয়েশন সেফটি নেটওয়ার্ক বলছে, গত দুই দশকে বিমান যাতায়াতে নিরাপত্তা ঝুঁকির পরিমাণ অনেক কমেছে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যদি ১০ বছর আগের হার বহাল থাকত, তাহলে গত বছর ৩৯টি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার দেখা মিলত। আর যদি ২০০০ সালের হার থাকত, তাহলে দুর্ঘটনা হত ৬৪টি। গত দুই দশকে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যে বিরাট অগ্রগতি হয়েছে, এসবই তার প্রমাণ।

এ ছাড়া গত ৫ বছরে ঘটা ২৫টি ভয়াবহ দুর্ঘটনার ১০টিই ‘নিয়ন্ত্রণ হারানোর’ কারণে হয়েছে জানিয়ে একে বিমান কোম্পানিগুলোর জন্য ‘বড় ধরনের নিরাপত্তা উদ্বেগ’ হিসেবেও চিহ্নিত করেছে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক এএসএন।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.