কংগ্রেসের ছন্নছাড়া অবস্থায় পাশে দাঁড়ালেন নরেন্দ্র মোদি!

কংগ্রেসের ছন্নছাড়া অবস্থায় পাশে দাঁড়ালেন নরেন্দ্র মোদি!

লোকসভা ভোটে ভরাডুবির দায়ে কংগ্রেস সভাপতির পদে না থাকার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন রাহুল গান্ধী।

বুধবার কংগ্রেস সাংসদদের অনুরোধ সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত বদলাননি তিনি। মা সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বে একটি বৈঠকে রাহুল বলেন, এটি এ বিষয়ে আলোচনার জায়গা নয়। তবু আপনারা অনুরোধ করেছেন, সেই পরিপ্রেক্ষিতে জানাই- আমি কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী কমিটিকে এ বিষয়ে আমার মত জানিয়ে দিয়েছি। একটা দায়িত্ব থাকা উচিত।
কংগ্রেস সাংসদরা তাকে জানান, কংগ্রেসকে নেতৃত্ব দেয়ার মতো আর কেউ নেই। তাই রাহুলের উচিত দলকে নেতৃত্ব দেয়া। রাহুল অবশ্য এত অনুরোধেও টলেননি। জানিয়ে দিয়েছেন, পদ ছাড়ার ব্যাপারে তার সিদ্ধান্তেই তিনি অনড় থাকবেন।
লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন গান্ধী পরিবারের এ উত্তরসূরি। ভোটের এক মাস পরও কংগ্রেসের এমন ছন্নছাড়া অবস্থা দেখে, রাহুলের হতাশা মেটাতে এগিয়ে এসেছেন নরেন্দ্র মোদি নিজেই।
বুধবার রাষ্ট্রপতির বক্তৃতায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন বিতর্কে রাজ্যসভায় বক্তৃতা দেয়ার সময় অনেকটা অভিভাবকের মতোই কংগ্রেস সভাপতিকে উপদেশ দিয়েছেন তিনি।
নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে মোদি বলেন, ‘একসময় আমাদের দুজন সাংসদ ছিলেন। অনেকে উপহাস করতেন। কিন্তু আদর্শে অটল থেকে দলকে দাঁড় করিয়েছি। এটিই তো নেতৃত্বের পরিচয়। হেরে গিয়ে এখন কাঁদছেন কেন? এ কী পদ্ধতি?
যখন নিজের ওপর ভরসা থাকে না, তখনই ইভিএমে দোষ চাপানোর মতো অজুহাত খোঁজা হয়। আসলে আত্মসমালোচনা, ভুল স্বীকারের কোনো প্রস্তুতি নেই। এতে দলের কর্মীদের ভালো হয় না। হতাশ হয়ে লাভ নেই। সাহস করে আবার কর্মীদের তৈরি করুন। এটিই কি শেষ ভোট না কি? আরও ভোট আসবে।
এদিকে সভাপতি পদ না ছাড়তে রাহুল গান্ধীর বাড়ির সামনে অবস্থান করছেন যুব কংগ্রেস কর্মীরা। গতকাল দিল্লিতে বৈঠক করে তারা ঘোষণা দিয়েছেন, যতক্ষণ না রাহুল সভাপতি পদে থাকতে রাজি হবেন, অবস্থান চলবে। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল- ‘আপ নেহি তো হাম নেহি’।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.