কক্সবাজারে বঙ্গোপসাগরের নাজিরারটেক পয়েন্টে কার্গো বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার কুলিশ আন্দ্রে, পাইলট মুরাদ, কো-পাইলট ইভানের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। তবে বিমানে হতাহত চার জনের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় লাশগুলো বিপাকে পড়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থা ট্রু এভিয়েশন।
শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত তিন জনের মৃতদেহ কবে এবং কাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে তা নিশ্চিত করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যে পাইলটসহ তিন লাশের ময়নাতদন্তের সম্পন্ন হয়েছে। এরপর থেকে লাশগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের হিমাগারে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বেসরকারি বিমান সংস্থা ট্রু এভিয়েশনের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তবে কবে নাগদ লাশগুলো হস্তান্তর করা সম্ভব হবে তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে কোনো প্রকার কথা বলতে রাজি হননি বেসরকারি বিমান সংস্থা ট্রু এভিয়েশনের কর্মকর্তারা।
তবে ট্রু এভিয়েশন সূত্রে জানা যায়, বিমানে হতাহত চার জনের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে জানুয়ারি মাসে। যার মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডলোডারম্যানের মেয়াদ শেষ হয়েছে ১৮ জানুয়ারি। নিহত ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার কুলিশ আন্দ্রে, পাইলট মুরাদ, কো-পাইলট ইভানের মেয়াদ শেষ হয় ১৬ জানুয়ারি। তারা অবৈধভাবে অবস্থান করে আসছিলেন। ফলে মৃতদেহ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে একটু জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে এবং বিলম্ব হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে, বুধবার সকালে কক্সবাজার বিমান বন্দর থেকে এক কিলোমিটার পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের নাজিরারটেক পয়েন্টে কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে পাইলটসহ তিন বিদেশি নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আরও এক বিদেশি। বেসরকারি বিমান সংস্থা ট্রু এভিয়েশনের কার্গো বিমানটি চিংড়ি পোনা নিয়ে কক্সবাজার থেকে যশোরে যাচ্ছিল।
