বায়োমেট্রিক সিম ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়েই গ্রাহকের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি বাংলালিংক।
অপারেটরটি বলছে, কারিগরি প্রক্রিয়ার কোনো অংশেই আঙুলের ছাপ সংরক্ষণের কোনো সুযোগ বা ব্যবস্থা রাখা হয়নি। গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষায় বাংলালিংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে আঙুলের ছাপ নিয়ে সিমের তথ্য যাচাই শুরু করে সরকার।
সোমবার (২১ মার্চ) বাংলালিংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকার ঘোষিত বায়োমেট্রিক সিম রেজিস্ট্রেশনের কাজ পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার ও মোবাইল অপারেটরগুলোর প্রচারণা এবং গ্রাহকদের আগ্রহের কারণে অনেকে আঙুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে তাদের সিম নিবন্ধন করিয়ে নিচ্ছেন। সাধারণ মানুষ এটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন চালু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৪০ লাখের বেশি বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন ছাড়িয়েছে, যা বাংলালিংকের মোট গ্রাহক সংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ।
সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যম বাংলালিংকের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (সিসিও) শিহাব আহমাদের একটি সাক্ষাৎকারের অংশ বিশেষ প্রচার করেছে, যা কিছু সংখ্যক পাঠকের মনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে বলে দাবি করা হয়।
শিহাব আহমাদ বলেন, বাংলালিংক সম্পূর্ণ বায়োমেট্রিক সিম ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়েই গ্রাহকের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করছে না। কারিগরি প্রক্রিয়ার কোনো অংশেই আঙুলের ছাপ সংরক্ষণের কোনো সুযোগ/ব্যবস্থা রাখা হয়নি। গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ডাটা/তথ্য ভেরিফিকেশনের জন্য যে ডিভাইস ব্যবহৃত হচ্ছে এবং যেসব খুচরা বিক্রেতা এই ডিভাইস ব্যবহার করছেন এদের কারও কাছেই ব্যবহারকারীর তথ্য সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। ডিভাইসে ইনপুট দেবার পর তথ্য নির্বাচন কমিশনের এনআইডি সার্ভারে ভেরিফিকেশনের জন্য চলে যায়। ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবার পর গ্রাহক ফলাফলের একটি স্বয়ংক্রিয় উত্তর পেয়ে যান। আরও উল্লেখ্য যে, বাংলালিংক বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত বিটিআরসি’র সব নির্দেশনা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন ২০১০-এর অধীনে নির্বাচন কমিশনের সব প্রয়োজনীয়তা সবসময় মেনে চলছে।
বাংলালিংক তার গ্রাহকদের গোপনীয়তার প্রতি, গোপনীয়তা ও ডাটা/তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত দেশের আইনসমূহের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা এবং সুরক্ষা আমাদের প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায় বলেও দাবি করেন ।
