জাটকা আহরণে বিরত থাকায় চাল পাচ্ছেন পৌনে ৩ লাখ জেলে।

প্রতি বছর ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন জাটকা (১০ ইঞ্চির চেয়ে ছোট ইলিশ) ধরা, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকে।চলতি অর্থবছরে জাটকা ইলিশ আহরণে বিরত থাকায় ২০ জেলায় ৯৬ উপজেলার দুই লাখ ৮০ হাজার ৯৬৩ জন জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি করে চাল দেবে সরকার।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে বলা হয়, ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ- দুই মাস মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় জাটকা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা এসব জেলে পরিবারকে চাল দিতে ২২ হাজার ৪৭৭ মেট্রিক টন চাল ররাদ্দ দিয়েছে সরকার।

আদেশে বলা হয়েছে, মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাটকা নিষিদ্ধকালীন ভিজিএফের এই চাল বিতরণ করা হবে।

জাটকা আহরণে বিরত থাকায় ঢাকার ৮৫০ জেলে পরিবার, মানিকগঞ্জের দুই হাজার ৩৩৬, রাজবাড়ীতে এক হাজার ৬৭০, শরীয়তপুরে ১২ হাজার ৯, মাদারীপুরে দুই হাজার ২৫০, ফরিদপুরে ৭০০, মুন্সিগঞ্জে দুই হাজার ৩৩৫, ভোলায় ৭০ হাজার ৯৪৩, পটুয়াখালীতে ৩৮ হাজার ৪৮৬, বরিশালে ৩১ হাজার ৭১৫ জন জেলেকে চাল দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া পিরোজপুরের নয় হাজার ৭৫০, বরগুনায় ১৯ হাজার ৯০০, ঝালকাঠির এক হাজার ৫৫০, চাঁদপুরে ৩৮ হাজার ৫, লক্ষ্মীপুরে ২৪ হাজার ৩৪৪, ফেনীতে ১২০, নোয়াখালীতে সাড়ে পাঁচ হাজার, চট্টগ্রামে সাড়ে আট হাজার, বাগেরহাটে সাড়ে সাত হাজার এবং সিরাগঞ্জের আড়াই হাজার জেলে পরিবার ৪০ কেজি করে চাল পাবে।

সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের জাটকা আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধনকৃত মৎস্যজীবীদের মধ্যে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা অনুসরণ করে চাল বিতরণ করে নিরীক্ষার জন্য হিসাব সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। হয়েছে।

জেলা প্রশাসকদের ভিজিএফ চাল বরাদ্দের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে চাল বণ্টন শেষ করতে হবে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.