থাইল্যান্ড ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর খুলে দেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে। এই তালিকায় রয়েছে করোনাভাইরাসে বিধ্বস্ত হয়ে পড়া ইতালিও। সব ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা অবলম্বন করেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভারতের দিল্লি এয়ারপোর্ট অথরিটি লিমিটেডের এক সিনিয়র অফিসার।
খুব শিগগিরই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিষেবাও চালু হতে চলেছে। লকডাউন উঠলে ভারতের দিল্লি থেকে প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ব্যাংকক যাবে।
পর্যটন সাইট মেক মাই ট্রিপের রেকর্ড অনুযায়ী দিল্লি থেকে ব্যাংকক-গামী এই বিমানের বুকিং-ও ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। ১৮ মে এই বিমানটি দিল্লি থেকে ব্যাংকক যাবে বলে জানা যাচ্ছে। বিমানটি দিল্লি থেকে কলম্বো হয়ে ব্যাংকক যাবে। শ্রীলংকার বিমানসংস্থা ব্যাংকক পর্যন্ত যাত্রীদের টিকিট দেবে।
এদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন ও আন্তর্জাতিক রুটের বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা ১৬ মে, ২০২০ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। একই সাথে অভ্যন্তরীণ যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিষেধাজ্ঞা আগামী ১৬ মে, ২০২০ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।
গত ২১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ সময়সীমা পঞ্চমবারের মতো বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ নতুন সময়সীমা অনুযায়ী ৭ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত কোনো যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালিত হবে না।
যদিও এর আগে অভ্যন্তরীণ রুটে ৮ মে থেকে ফ্লাইট চলাচলের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় নতুন এ সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
১৬ মে’র পর কী হবে, কীভাবে ফ্লাইট পরিচালিত হবে— সবকিছু নির্ভর করছে ওই সময় করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর।
ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর খুলে দিয়েছে থাইল্যান্ড। লকডাউনের মধ্যেই গোটা বিশ্বের পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে থাইল্যান্ড। নিজের দেশ থেকে অনুমতি পেলে এখন যে কোনও পর্যটক থাইল্যান্ডে ছুটি কাটাতে যেতে পারবেন।