ঢাকা থেকে একমাত্র চীনে পরিচালিত হচ্ছে নিয়মিত যাত্রীবাহী ফ্লাইট

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে সব দেশের সঙ্গে আকাশ পথে যোগযোগ বন্ধ রাখা হলেও চীন পরিস্থিতি ‘সামলে ওঠায়’ এবং ‘জরুরি পণ্য পরিবহনের’ স্বার্থেই সে দেশের সঙ্গে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চালু রাখা হয়েছে বলে জানালেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান মো. মফিদুর রহমান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করছিল, তখন চীনের মহামারী পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে।

“ওটাই প্রধান কারণ ছিল। আর দ্বিতীয়ত আমাদের স্বার্থের বিষয়ও আছে। করোনাভাইরাস সম্পর্কিত যত সাহায্য, সেগুলো ওদিক দিয়েই আসছিল। র মেটিরিয়ালস থেকে চিকিৎসা সামগ্রী- সবই। এখনো তা অব্যাহত রয়েছে।”

বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, “তৃতীয় কারণটি হল, চীন একমাত্র দেশ যারা বাংলাদেশ থেকে বিমান চলাচলে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়নি, আমরাও দেইনি। অন্য দেশে এখন আমাদের এয়ারলাইন্স যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেজন্যই চীনের সঙ্গে এই রুটটা খোলা রাখা হয়েছে।”

মহামারীর বিস্তার ঠেকাতে আন্তর্জাতিক ও আভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচলে নিষেধাজ্ঞা শুরু হয় মার্চের শেষভাগে। কয়েক ধাপে মেয়াদ বাড়িয়ে এখন ৩০ মে পর্যন্ত সেই নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

বাহরাইন, ভুটান, হংকং, ভারত, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্যসহ মোট ১৬টি দেশের সঙ্গে উড়োজাহাজ চলাচলে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চলাচল হয় এমন ১৭টি দেশের মধ্যে এখন শুধু চীনের সঙ্গেই প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট চলছে।

মফিদুর রহমান বলেন, এখন চায়না সাদার্ন এয়ারলাইন্স ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স সপ্তাহে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। সামনে চায়না ইস্টার্নও ফ্লাইট চলাচল শুরুর পরিকল্পনা করছে।

সপ্তাহে তিন ফ্লাইটে কত যাত্রী যাওয়া আসা করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এখন ঢাকা থেকে চীনে খুব অল্প যাত্রী চলাচল করছে। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামীতে বাড়বে।”

Comments (0)
Add Comment