দীর্ঘদিন পর আবার সচল হলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
একটানা ৮৮ দিন বন্ধ ছিল ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরসহ দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরও।
অবশ্য সমগ্র বিশ্বের প্রায় বিমানবন্দরগুলোই এক রকম লকডাউনে ছিল ভয়াবহ করোনা তান্ডবে।
নিতান্ত জরুরী প্রয়োজন, যেমন- চিকিৎসাসামগ্রী ও সামরিক প্রয়োজন ব্যতিরেকে এ সময়ে ব্যবহার হতে পারেনি প্রায় কোন বিমানবন্দরই।
ফলে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী চলাচল এবং পণ্য পরিবহনসহ ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল বন্ধ।
এর ফলে পর্যটন ব্যবসায়ও নেমেছে ধস।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলেও বিশ্বের বিমান সংস্থা ও বন্দরগুলো কবে নাগাদ করোনাজনিত এই সমূহ
আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে তা নিশ্চিত করে বলা অসম্ভব। মনে রাখতে হবে যে, করোনা তা-ব শেষ হয়নি এখনও।
সেক্ষেত্রে বিমানসহ যানবাহন এবং মানুষের যাতায়াতের সুযোগ প্রায় অবারিত করে দেয়া হলেও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।
কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ বিমান অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দিয়েছে।
তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুই সিটে একজন বসার জন্য সঙ্গত কারণেই ভাড়া বাড়াতে হয়েছে বিমানকে।
সে তুলনায় যাত্রীর সংখ্যাও কম থাকায় অচিরেই তা বন্ধ করে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিমানের উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শাহজালালের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।
অবশ্য যাত্রীদের অধিকাংশই ছিলেন ট্রানজিট।
যাত্রীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মানা হয়েছে বলেও স্বীকার করেছে বেবিচক কর্তৃপক্ষ।
আগামী ২১ জুন থেকে ঢাকা-লন্ডন রুটে প্রথম চলবে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট।
ফলে স্বভাবতই ঢাকা বিমানবন্দরের ব্যস্ততা বাড়বে। তবে আশঙ্কা থাকবে করোনা সংক্রমণের।