ব্রিটেনের বিমানবন্দরগুলো ৫শ’কোটি ডলার রাজস্ব হারাবে

করোনা ভাইরাস মহামারি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত যাত্রীবাহী বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ব্রিটেনের বিমানবন্দরগুলোর লোকসান হয়েছে ১৯ কোটি ডলার।

দেশটির এয়ারপোর্ট অপারেটরস এসোসিয়েশন জানায়, এরইমধ্যে রাজস্ব কমে দাঁড়িয়েছে আড়াইশ’ কোটি ডলারে, যা গতবছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক কম।
কারণ যাত্রী সংখ্যা ৯৯ শতাংশই কমে গেছে। বছর শেষে এ রাজস্ব কমার পরিমাণ দাঁড়াবে ৫শ’ কোটি ডলার।

ব্রিটিশ এয়ারপোর্ট অপারেটরস এসোসিয়েশন জানায়, গেলো চার মাস দেশের এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে বাজে সময়।
যাত্রী বাড়লেও করোনা যতোদিন থাকবে, ততোদিনই থাকবে বিমানে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নানা বিধিনিষেধ।
গেলো মাসেই বিদেশি যাত্রীদের ক্ষেত্রে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করেছে দেশটির সরকার।
এতে করে ব্যাহত হচ্ছে অভ্যন্তরীণ, আন্তর্জাতিক পর্যটন ও রফতানি।

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এরইমধ্যে গ্যাটওয়েক বিমানবন্দর দিয়ে বিমান পরিচালনা অনেক কমিয়ে এনেছে।
ভার্জিন আটলান্টিকও গেলো মাসে এ বিমানবন্দর দিয়ে বিমান না পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইজিজেটও যেকোন সময় নিতে পারে কঠোর সিদ্ধান্ত। এয়ারপোর্ট ব্যাগেজ তদারকি প্রতিষ্ঠান সুইসপোর্ট জানায়, তাদের সাড়ে ৪ হাজার কর্মীর চাকরি ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রোলস রয়েস জানায়, অন্তত ৯ হাজার কর্মী ছাঁটাই করতে হতে পারে তাদের।

বিমানবন্দর কোম্পানিগুলোও সরকারি সহায়তার প্রত্যাশা করছে। করোনা মহামারীতে সবচেয়ে বেশি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বিশ্বের বিমান ও পর্যটন খাত। গবেষণা সংস্থা মুডিস পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৩ সালের আগে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে না বিশ্বের এভিয়েশন খাত।

Comments (0)
Add Comment