৫ বছরে কক্সবাজার সৈকতে ১৯ পর্যটকের মৃত্যু

বিধিনিষেধ না মেনে সাগরে নামার কারণে কক্সবাজারের সৈকতকেন্দ্রিক প্রাণহানি ঠেকানো যাচ্ছে না কোনোভাবেই।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লোকজনও জানে না সৈকতে লাগানো লাল এবং লাল-হলুদ পতাকার সংকেত সম্পর্কে।
এ ছাড়া জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম কম থাকার কথা জানান লাইফ গার্ড কর্মীরা।
পর্যটকদের সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান তাদের।
সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের গর্জন বারবারই টানে ভ্রমণপিপাসুদের।
তাইতো কোনো সুযোগ পেলেই পর্যটকরা ছুটে আসেন নীল জলরাশির সৌন্দর্যে।

মহামারির কারণে দীর্ঘদিন পর হাজার হাজার মানুষের পদচারণায় প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত।
অনেকে বিপৎসীমা অতিক্রম করে সাগরের নোনাজলে সাঁতার কাটেন।
এতে বাড়ছে ঝুঁকি। প্রতিটি পয়েন্টে লাইফ গার্ড কর্মী আছেন মাত্র ৩ থেকে চারজন।
লাইফগার্ড কর্মীরা বলছেন, আমরা জোয়ারের সময় কোন জায়গায় গর্ত আছে, কোথায় নেই তা চিহ্নিত করতে পারি না।
আর কথা না শুনে অনেককে বিপদের সম্মুখীন হতে হয়।

Comments (0)
Add Comment