ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে কক্সবাজার বিমানবন্দর

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মর্যাদা পেলেও অব্যবস্থাপনার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে কক্সবাজার বিমানবন্দর।
বিশ্বমানের রানওয়ে তৈরি করা হলেও বিমানবন্দরের সীমানা প্রাচীরের বিভিন্ন অংশ ভঙ্গুর থাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সীমানা প্রাচীরের ভাঙা অংশ হয়ে চলাচলের ‘শর্টকাট’ পথ হিসেবে অবাধে রানওয়ের ভেতর দিয়ে এপার-ওপারে যাতায়াত করছেন লোকজন।
শুধু মানুষ নয়, বিমান অবতরণ ও উড্ডয়নের সময় প্রাচীরের ভাঙা অংশ দিয়ে ঢুকে পড়ছে গরু, ছাগল, কুকুরসহ বিভিন্ন প্রাণী।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উড্ডয়নের সময় বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজের পাখার ধাক্কায় দুটি গরুর মৃত্যু হয়।
তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যান ৯৪ জন যাত্রী।
বিমানটিরও কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
এরপর থেকেই আলোচনায় এসেছে কক্সবাজার বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়টি।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক (এসপি) নাইমুল হক নাইম বলেন, ‘বিমানের ফ্লাইটটি মঙ্গলবার উড্ডয়নের সময় ডান পাশের পাখায় ধাক্কা লেগে ছিটকে পড়ে দুটি গরু ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
তবে উড়োজাহাজটি ৯৪ যাত্রী নিয়ে সফলভাবেই উড্ডয়ন করে।
বিমান চলে গেলে মরা গরু দুটি সরিয়ে ফেলার পর নভোএয়ার ও ইউএস বাংলার দুটি ফ্লাইট সফলভাবে ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করে।’

Comments (0)
Add Comment