চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ল্যাব স্থাপন শুরু হয়েছে।
এরই মধ্যে কভিড ল্যাব স্থাপনের জন্য বিমানবন্দর ভবনের ভেতরে অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করেছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
আর অনুমোদিত চারটি প্রতিষ্ঠান ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু করেছে।
সব ঠিক থাকলে নতুন বছরের প্রথম দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ল্যাবে করোনা পরীক্ষা শুরু হবে।
এর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর দিয়েও সংযুক্ত আরব-আমিরাতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।
এত দিন আরব আমিরাতগামী বাংলাদেশের সব যাত্রীকে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়েই শুধু যাওয়ার সুযোগ ছিল।
এতে ঢাকা বিমানবন্দরে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছিল, বিদেশগামীদেরও ভোগান্তি হচ্ছিল।
চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘বিমানবন্দরের ভেতর অবকাঠামো নির্মাণ শেষে আমরা গত মঙ্গলবারই বুঝিয়ে দিয়েছি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে।
এখন সেখানে ল্যাব স্থাপন করবে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলো।
বিমানবন্দর ভবনের বাইরে আমরা একটি রিসিপশন স্থাপন করেছি; কিন্তু নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হবে ভবনের ভেতর।’
নানা জটিলতা শেষে ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে চারটি কভিড ল্যাব স্থাপনের অনুমোদন দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ।
অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—চট্টগ্রামের শেভরন ল্যাবরেটরি লিমিটেড, ঢাকার ল্যাবএইড লিমিটেড, ঢাকার প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট এবং কুমিল্লার মডার্ন হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড।
বিমানবন্দর টার্মিনালের ভেতরে এসব ল্যাব স্থাপন শেষে পরীক্ষার জন্য চালু করা হবে।